সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও গোপনীয়তা নয়। আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত যে স্বচ্ছ, সেটা প্রমাণ করতে মরিয়া কেন্দ্র। শেষ মুহূর্তে মত বদলে রাষ্ট্রসংঘের সংস্থাকে গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ায় ‘নজরদারি’র অনুমতি দিয়ে দিল মোদি সরকার। সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রসংঘের অসামরিক বিমান সংক্রান্ত তদন্তকারী এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার তদন্তে নিজস্ব পর্যবেক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেল কেন্দ্র।
সরকারি হিসাবে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় মোট ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বহু বিদেশি নাগরিকও ছিলেন। ভারতের তরফে ওই বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ডিজিসিএ, এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB), ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি (BCAS), এই তিন সংস্থা। এর সঙ্গে একাধিক বিদেশি সংস্থাও তদন্ত করতে চায় বলে খবর।
সূত্রের খবর, গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ায় নজরদারি চালাতে চায় ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন। তারা নিজেদের প্রতিনিধি পাঠাতে চায় তদন্তের কাজে। শুরুতে ভারত সরকার ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনকে নজরদারির অনুমতি দেয়নি। পরে মত বদল করে অসামরিক বিমান পরিবহণ দপ্তর। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রসংঘের সংস্থাকে ‘নজরদার’ তকমা দিতে আপত্তি নেই কেন্দ্রের।
আসলে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন সচরাচর বিতর্কিত এলাকায় কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে বা কোনও দেশের অসামরিক বিমানে সেনা হামলা চালিয়ে নামালে তবেই তদন্ত করে। তারা আহমেদাবাদের দুর্ঘটনায় তদন্তে আগ্রহী কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে নয়াদিল্লির। তবে স্বচ্ছ্বতার স্বার্থে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনকে নজরদারির অনুমতি দিয়ে দিল্লি।
সর্বশেষ খবর
-
পুরবোর্ড টিকলে পরবর্তী মেয়র কে? রবিতে তৃণমূল ভবনে বৈঠক ডাকলেন মমতা
-
কাজু-আমন্ড অতীত, এই চেনা ফলের বীজই ‘সুপারফুড’!
-
বাবুঘাটে তলিয়ে গেলেন আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদী, ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে রহস্য
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর