Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Delhi Car Blast

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই বিস্ফোরকের পরীক্ষা! দিল্লি বিস্ফোরণে ষড়যন্ত্রের বীজ সেই আল-ফালহাতেই

গত বছর ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। 'হোয়াইট কলার টেরোরিজম' বা ডাক্তারি পড়ুয়াদের এহেন কুকীর্তি দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল দেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬, ১৯:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬, ১৯:৩৮

options
link
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই বিস্ফোরকের পরীক্ষা! দিল্লি বিস্ফোরণে ষড়যন্ত্রের বীজ সেই আল-ফালহাতেই zoom
দিল্লি বিস্ফোরণ। ফাইল ছবি
Advertisement

গত বছর ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Delhi Car Blast) ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ‘হোয়াইট কলার টেরোরিজম’ বা ডাক্তারি পড়ুয়াদের এহেন কুকীর্তি দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল দেশ। সেই মামলার তদন্তে নেমে এবার চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। দাবি করা হচ্ছে, গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানোর আগে হরিয়ানার আল-ফালহা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই বিস্ফোরকের পরীক্ষা করেছিল জঙ্গিরা। বিস্ফোরকের পরীক্ষা হয় আরাবল্লির জঙ্গলেও।

আদালতের এনআইএ-র পেশ করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে চিকিৎসক জঙ্গি উমর, গনাই ও এবং আল-ফালহার এক ছাত্র জসির বিলাল ওয়ানি ৩ জন মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেই নাইট্রো-গ্লিসারিনের পরীক্ষা করে। মারণ এই বিস্ফোরক তৈরি করা হয়েছিল চিকিৎসক গনাইয়ের ফ্ল্যাটে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরীক্ষা সফল হওয়ার পর, আরও বড় পরিসরে পরীক্ষার জন্য বিস্ফোরক নিয়ে যাওয়া হয় আরাবল্লির জঙ্গলে। সেখানে ট্রায়াসিটন ট্রাইপারক্সাইড (টিএটিপি)-এর পরীক্ষা করা হয়। বিস্ফোরককে কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা চালায় এই জঙ্গি চিকিৎসকরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মারণ এই বিস্ফোরক তৈরি করা হয়েছিল চিকিৎসক গনাইয়ের ফ্ল্যাটে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরীক্ষা সফল হওয়ার পর, আরও বড় পরিসরে পরীক্ষার জন্য বিস্ফোরক নিয়ে যাওয়া হয় আরাবল্লির জঙ্গলে। 

এনআইএ আরও জানিয়েছে, দিল্লিতে বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য আল-কায়েদার মতাদর্শে বিশ্বাসী আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সদস্যের ১৬ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন আল-ফালহার সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসক শাহিন শাহিদ। যা গনাইয়ের মাধ্যমে জঙ্গিদের কাছে পৌঁছয়। এই টাকায় কেনা হয় একে ৪৭, ক্রিনকভ রাইফেল এবং দু’টি পিস্তল। জঙ্গলে এই অস্ত্রগুলিরও পরীক্ষা চালানো হয়। দাবি করা হচ্ছে, এই সব বিস্ফোরক তৈরির মশলা বাজার থেকে ধাপে ধাপে কেনা হয়েছিল। প্রথমে তা নিজেদের ফ্ল্যাটে মজুত করা। পরে ধৌজের ভাড়াবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এছাড়াও তদন্তকারীদের চাঞ্চল্যকর দাবি, সেদিনের হামলায় হামলাকারীর প্রাথমিক নিশানায় লালকেল্লা ছিলই না। আসল লক্ষ্য ছিল কাছেই অবস্থিত জৈন মন্দির ‘লাল মন্দির’। কিন্তু ওই রাস্তায় মাত্রাতিরিক্ত যানজট ছিল। এছাড়াও পুলিশের উপস্থিতি দেখে পরিকল্পনা বদলে লালকেল্লার দিকে চলে যায় নবি। কয়েক মিনিটের মধ্যে সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৫০ মিনিটে ঘটে যায় সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। যার ফলে প্রাণ হারান ১১ জন। বহু মানুষ গুরুতর আহত হন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.