Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
সিধু

মু্খ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে মনোমালিন্যের জের! ডানা ছাঁটা গেল সিধুর

সিধুর জন্যই খারাপ ফল হয়েছে লোকসভায়, অভিযোগ কংগ্রেসের অন্দরেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৯, ২১:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৯, ২১:২০

options
link
মু্খ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে মনোমালিন্যের জের! ডানা ছাঁটা গেল সিধুর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে সাংবাদিক বৈঠকে  সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এরপরই স্থানীয় প্রশাসন সংক্রান্ত দপ্তরটি কেড়ে নেওয়া হল নভজ্যোৎ সিং সিধুর হাত থেকে। তার বদলে দেওয়া হল বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্ব। তবে পর্যটন ও সংস্কৃতি দপ্তর এখনও তাঁর হাতেই রয়েছে।

[আরও পড়ুূন- আইএস-র হয়ে দেওয়াল লিখন, মুম্বইয়ে আটক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা]

লোকসভা নির্বাচনের পর বৃহস্পতিবারই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন পাঞ্জাব মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। কিন্তু, সেখানে না গিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন সিধু। নাম না করে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। বলেন, “কেউ যেন না ভাবেন যে আমি সব কথাই মেনে নেব। সবাইকে বলতে চাই যে আমি কেবল পাঞ্জাবের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। কারণ, তাঁরা আমাকে ভরসা করেছেন। তাছাড়া আমাকে যে দুটি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সেখানে ভাল ফল করেছে কংগ্রেস। তা সত্ত্বেও দলের খারাপ ফলের জন্য একমাত্র আমাকেই দায়ী করা হচ্ছে।” এই কারণেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি যাননি বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন এই ক্রিকেট তারকা। সিধুর এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ মধ্যেই রাজ্যপালের কাছে  স্থানীয় প্রশাসন সংক্রান্ত দপ্তরের দায়িত্ব থেকে সিধুকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন অমরিন্দর।

Advertisement

সূত্রের খবর, লোকসভা নির্বাচনের পর ফলাফল পর্যালোচনার জন্য ওই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার পাঞ্জাব মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে একাধিক মন্ত্রী সিধুকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলেন। সম্প্রতি সিধুকে মন্ত্রিসভার সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিলেন শিরোমণি অকালি দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদলও।

[আরও পড়ুূন- OMG! উচ্চতায় তাজমহলকে ছুঁয়ে ফেলবে এই আবর্জনার স্তূপ]

কয়েকদিন আগে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, পাকিস্তান সম্পর্কে সিধুর মন্তব্য ভালভাবে নেয়নি দেশের মানুষ। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন দপ্তরের কাজকর্মও ঠিকঠাক সামলাতে পারছিলেন না তিনি। তাই লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাব থেকে খারাপ ফল হয়েছে কংগ্রেসের। যদিও সেকথা কোনও ভাবেই মানতে চাইছেন না সিধু।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.