সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এরপরই স্থানীয় প্রশাসন সংক্রান্ত দপ্তরটি কেড়ে নেওয়া হল নভজ্যোৎ সিং সিধুর হাত থেকে। তার বদলে দেওয়া হল বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্ব। তবে পর্যটন ও সংস্কৃতি দপ্তর এখনও তাঁর হাতেই রয়েছে।
[আরও পড়ুূন- আইএস-র হয়ে দেওয়াল লিখন, মুম্বইয়ে আটক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা]
লোকসভা নির্বাচনের পর বৃহস্পতিবারই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন পাঞ্জাব মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। কিন্তু, সেখানে না গিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন সিধু। নাম না করে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। বলেন, “কেউ যেন না ভাবেন যে আমি সব কথাই মেনে নেব। সবাইকে বলতে চাই যে আমি কেবল পাঞ্জাবের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। কারণ, তাঁরা আমাকে ভরসা করেছেন। তাছাড়া আমাকে যে দুটি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সেখানে ভাল ফল করেছে কংগ্রেস। তা সত্ত্বেও দলের খারাপ ফলের জন্য একমাত্র আমাকেই দায়ী করা হচ্ছে।” এই কারণেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি যাননি বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন এই ক্রিকেট তারকা। সিধুর এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ মধ্যেই রাজ্যপালের কাছে স্থানীয় প্রশাসন সংক্রান্ত দপ্তরের দায়িত্ব থেকে সিধুকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন অমরিন্দর।
সূত্রের খবর, লোকসভা নির্বাচনের পর ফলাফল পর্যালোচনার জন্য ওই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার পাঞ্জাব মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে একাধিক মন্ত্রী সিধুকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলেন। সম্প্রতি সিধুকে মন্ত্রিসভার সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিলেন শিরোমণি অকালি দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদলও।
[আরও পড়ুূন- OMG! উচ্চতায় তাজমহলকে ছুঁয়ে ফেলবে এই আবর্জনার স্তূপ]
কয়েকদিন আগে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, পাকিস্তান সম্পর্কে সিধুর মন্তব্য ভালভাবে নেয়নি দেশের মানুষ। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন দপ্তরের কাজকর্মও ঠিকঠাক সামলাতে পারছিলেন না তিনি। তাই লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাব থেকে খারাপ ফল হয়েছে কংগ্রেসের। যদিও সেকথা কোনও ভাবেই মানতে চাইছেন না সিধু।
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!