৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ফের ‘ব্যর্থ’ সামরিক আলোচনা, প্যাংগংয়ের দক্ষিণ প্রান্তে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ভারত-চিনের সেনা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 13, 2020 9:30 am|    Updated: September 13, 2020 1:31 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ কিছুতেই মিটতে চাইছে না ভারত ও চিনের সীমানা বিবাদ। প্রতিরক্ষামন্ত্রক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পর এবার দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্তরের আলোচনাতেও কাজের কাজ কিছুই হল না। সীমান্তে মতানৈক্য মেটাতে শনিবার ব্রিগেড কম্যান্ডার স্তরে বৈঠকে বসেন দুই দেশের সেনাকর্তারা। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পরও সেই বৈঠকে কোনও সমাধানসূত্র বের হয়নি বলে সূত্রের খবর। এদিকে সীমান্তে ক্রমশ যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। 

বিগত প্রায় দু’সপ্তাহ ধরেই প্যাংগং হ্রদের (Pangong Tso) দক্ষিণ পাড়ে খুব অল্প দূরত্বে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ভারত ও চিনের ফৌজ। গত মার্চ মাস থেকেই প্যাংগং হ্রদের উত্তর পাড়ে আগ্রাসন চালিয়ে আসছিল চিনা বাহিনী (PLA)। ১৫ জুনের সংঘর্ষের পর দুই দেশের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনা হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। প্রতিবারই ভারতের সঙ্গে বেইমানি করেছে চিন। বৈঠকের টেবিলে একরকম কথা আর বাস্তবে অন্যরকম কাজ, এটাই নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে চিনা বাহিনীর। এর মধ্যে আবার গত ২৯ এবং ৩০ আগস্ট চিনারা ভারতীয় সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। যা ভারত প্রতিহত করেছে। কিন্তু তারপর থেকেই প্যাংগংয়ের দক্ষিণ প্রান্তে ক্রমাগত প্ররোচনামূলক পদক্ষেপ করে চলেছে চিনারা। দ্বিপাক্ষিক চুক্তি না মেনে একেবারে ভারতীয় সেনার ঢিলছোঁড়া দুরত্বে সেনা মোতায়েন করেছে ড্রাগন। সুত্রের খবর, প্যাংগংয়ের দক্ষিণ উপকূলে গুরুং এবং মগর পাহাড়ের মাছে স্প্যাঙ্গুর গ্যাপে (Spanggur Gap) দুই দেশের সেনা শ্যুটিং রেঞ্জের মধ্যে চলে এসেছে। এবং চিনারা যেভাবে প্ররোচনা দিচ্ছে তাতে যে কোনও সময় সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

[আরও পড়ুন: নজরে চিন-নেপাল, উত্তরাখণ্ডের সীমান্তবর্তী তিন জেলায় এবার বসবে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম]

আসলে শনিবার ভারত ও চিনের ব্রিগেড কম্যান্ডার স্তরের যে বৈঠক ছিল তাতে দুই দেশের ফরোয়ার্ড পজিশন থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। অথচ, এই ফরোয়ার্ড পজিশন থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকেই দু’দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। যাই হোক, সমস্যা না মিটলেও আলোচনার পথ এখনও খোলা রেখেছে দুই দেশ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ফের দুই দেশের সেনাকর্তারা বৈঠকে বসবেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement