Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
IRCTC

চাকরি থাকছে সুপারভাইজারদের, ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠল IRCTC

৬০০’র বেশি সুপারভাইজারকে ছাঁটাই করার ফরমান জারি করেছিল IRCTC।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ১৮:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ১৮:২৯

options
link
চাকরি থাকছে সুপারভাইজারদের, ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠল IRCTC zoom
Advertisement

সুব্রত বিশ্বাস: কয়েকদিন আগেই ৬০০’র বেশি সুপারভাইজারকে ছাঁটাই করার ফরমান জারি করেছিল দেশের বৃহত্তর কর্পোরেট সংস্থা IRCTC। ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ খবরটি প্রকাশ পেতেই শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। কর্মী ছাঁটাইয়ে বেহাল অর্থনীতির হাল কী দাঁড়াবে, ওঠে প্রশ্ন। শেষমেশ চাপের মুখে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল সংস্থাটি।

[আরও পড়ুন: নভেম্বর পর্যন্ত ফ্রি রেশন, ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’-এর লক্ষ্যে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর]

IRCTC সূত্রে খবর, ছাঁটাইয়ের নোটিস প্রাপ্ত সুপারভাইজাররা প্রত্যেকেই উচ্চশিক্ষিত। হোটেল ম্যানেজমেন্ট-এর শিক্ষা শেষ করে কাজে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই ছাঁটাই পর্বে ইতি টানা হয়েছে। আপাতত পদে বহাল থাকছেন তাঁরা। এই বিষয়ে দিল্লিতে রেলের সদরদপ্তরেও আলোচনা হয়েছে। উল্লেখ্য, করোনা আবহে অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থায় কর্পোরেট সংস্থাগুলিকে কর্মী ছাঁটাই না করার আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেই কথাও মাথায় রেখেছেন রেলের কর্তারা। ফলে আপাতত ৬০০’র বেশি সুপারভাইজারকে কাজে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

কয়েকদিন আগে IRCTC জানিয়েছিল, যাত্রীবাহী ট্রেন না চলায় কাট্যারিং ব্যবস্থা বন্ধ। ফলে কর্মীদের কাজে লাগছে না। এই অবস্থায় বসিয়ে বেতন দেওয়ার পরিস্থিতি সংস্থার না থাকায় ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। এর ফলে পূর্বাঞ্চলের প্রায় দেড়শো তরুণ-তরুণী কোবিড পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। যেহেতু পূর্বাঞ্চলের সদর কলকাতায়, ফলে সুপারভাইজারদের অধিকাংশই কলকাতাবাসী। এদের প্রত্যেকেই হোটেল ম্যানেজমেন্টের ব্যাচেলর। বেতন পরিকাঠামো ভাল হওয়ায় কাজ করতে আগ্রহী তরুণ প্রজন্ম। হাওড়া, শিয়ালদহের ট্রেনগুলি নিয়ে গন্তব্য পর্যন্ত যেতেন সুপারভাইজাররা। হাওড়া থেকে পূর্বা এক্সপ্রেস, গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস, আহমেদাবাদ এক্সপ্রেস, সরাইঘাট এক্সপ্রেস, মুম্বই মেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলি নিয়ে শেষ পর্যন্ত যেতেন এই সুপারভাইজাররা। সুপারভাইজারের মূল কাজ, খাবারের কোয়ালিটি যাচাই করা। রান্না থেকে খাবার প্যাকিং নজরে রাখা, দাম উপযুক্ত নিচ্ছে কি না তার তদারকি করাই সুপারভাইজারের কাজ।

[আরও পড়ুন: চিনকে ‘শিক্ষা’ দিতে কেন্দ্রের কড়া পদক্ষেপের সম্ভাবনা, 5G নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক প্রথম সারির মন্ত্রীদের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.