২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারে থাকলে দলের সাংগঠনিক পদে থাকা যাবে না। অমিত শাহ নিজেই বিজেপির অন্দরে এই নিয়ম কড়াভাবে লাগু করেছেন। এমনকী, লোকসভা ভোটে দলের জেলা সভাপতি বা সাংগঠনিক সম্পাদকদের যতদূর সম্ভব টিকিট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। কিন্তু, এবার সেই অমিত শাহ’ই সম্ভবত বিজেপি সভাপতি থাকার জন্য সেই নিয়মে পরিবর্তন আনতে চলেছেন। মেয়াদ পেরনোর পরও বিজেপির সভাপতি থাকতে চলেছেন অমিত শাহ, এমনটাই সূত্রের খবর।

[আরও পড়ুন: রাতারাতি দিক পরিবর্তন ঘূর্ণিঝড় বায়ুর, এখনও জারি সতর্কতা]

বিজেপি সভাপতি হিসেবে অমিত শাহ’র সাফল্য প্রশ্নাতীত। তাঁর নেতৃত্বেই দল লোকসভায় তিনশোর বেশি আসন পেয়েছে। তাই নির্বাচন হলে তাঁর দ্বিতীয়বার সভাপতি হওয়াটা সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় অমিত শাহ মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ায়। বিজেপির নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনিক পদে থাকলে কোনও ব্যক্তি দলের সাংগঠনিক পদে থাকতে পারেন না। শীর্ষপদে তো নয়ই। আর সেকারণেই, অমিত শাহর বিকল্প হিসেবে উঠে আসছিল জে পি নাড্ডা, ভুপেন্দ্র যাদবদের মতো বর্ষীয়ান নেতার নাম।

[আরও পড়ুন: আগ্রায় কোর্ট চত্বরেই গুলিতে ঝাঁজরা বার কাউন্সিলের প্রথম মহিলা সভাপতি]

বৃহস্পতিবারই বিজেপির তিনদিনের সাংগঠনিক বৈঠক শুরু হচ্ছে। তাঁর আগে বিজেপির হাতে দুটি বিকল্প রয়েছে। এক অমিত শাহকেই সভাপতি রূপে বহাল রাখা, দুই দ্রুত নতুন সভাপতি নিয়োগ করা। কিন্তু, এ বছরের শেষের দিকে চার রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। তাই, এই পরিস্থিতিতে আর অমিতকে বদলাতে চাইছেন না কেন্দ্রীয় নেতারা। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী দু’দিন দলের রাজ্য সভাপতিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন অমিত। কথা বলবেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সভাপতিদের সঙ্গেও। তারপরই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে দলের অন্দরে। এই প্রক্রিয়াটি বেশ লম্বা ও সময়সাপেক্ষ। তাই আপাতত অমিত শাহ’ই বিজেপি সভাপতি থাকবেন বলে সূত্রের খবর। চার রাজ্যের নির্বাচনের পরেই হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত। যদিও, আগামী তিনদিন ধরে যে বৈঠক হবে, তাতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং