২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

কর্ণাটকে কুমারস্বামী সরকারের পতন ঘটিয়েছেন খোদ অমিত শাহ! স্বীকারোক্তি ইয়েদুরাপ্পার

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: November 3, 2019 9:49 am|    Updated: November 3, 2019 10:15 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত জুলাই মাসে কর্ণাটকে বিধায়কদের বিদ্রোহের জেরে পতন হয়েছিল ১৩ মাস বয়সি জেডি (এস)-কংগ্রেস জোট সরকারের। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপির মদতেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। এবার কেন্দ্রের শাসকদলের অস্বস্তি বাড়িয়ে ফাঁস হয়েছে একটি অডিও ক্লিপিং। যেখানে কর্নাটকের মুখ‌্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পাকে বলতে শোনা গিয়েছে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি এই ‘বিদ্রোহ তত্ত্বাবধান ও সব ব‌্যবস্থা করেছেন।’ সদ‌্যই সরকারের ১০০ দিন পূর্তি পালন করেছেন ইয়েদুরাপ্পা। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি অডিও ক্লিপের সত‌্যতা চ‌্যালেঞ্জ করেননি। তবে এটাও বলেছেন যে, তিনি দলীয় কর্মীদের সভায় বক্তব‌্য রাখছিলেন। অর্থাৎ তাঁর ইঙ্গিত, রাজনীতির মঞ্চে এমন অনেক কথাই দলের স্বার্থে কর্মীদের চাঙ্গা করতে বলতে হয়।



শুক্রবার লিক হওয়া ওই ক্লিপে ইয়েদুরাপ্পা ওরফে ইয়েডিকে দলীয় কর্মীদের স্পষ্টভাবে বলতে শোনা গিয়েছে, কংগ্রেস ও জনতা দলের (এস) পদত‌্যাগী ১৭ জন বিধায়কের সঙ্গে ভাল আচরণ করতে হবে। সোশ‌্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ক্লিপে শোনা গিয়েছে, দলের হুইপ অগ্রাহ‌্য করে ওই বিধায়করা মুম্বইয়ে পাঁচতারা হোটেলে ঘাঁটি গেড়েছিলেন। বিদ্রোহী বিধায়কদের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত ছিলেন অমিত শাহ। ইয়েদুরাপ্পার বয়ানে বক্তব‌্য এরকম, ‘‌আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আমি ওঁদের এই সিদ্ধান্ত নিতে বলিনি। জাতীয় সভাপতি এ ব্যাপারে অবগত ছিলেন, সবকিছু তত্ত্বাবধান এবং ব্যবস্থা করেছেন। এই ১৭ জন গত দু’তিন মাস মুম্বইয়ে ছিলেন এবং নিজেদের কেন্দ্রে যাওয়া বা পরিবারের সঙ্গে দেখারও অনুমতি ছিল না। ওঁরা আমাদের সাহায্য করেছেন, নাহলে বাকি সময়টা হয়তো বিরোধী আসনে থাকতে হত।‌ ওঁরা আমাদের শাসকদল হতে সাহায্য করেছেন। ওঁরা বিধায়ক হিসেবে পদত্যাগ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। তাই যাই হয়ে যাক, আমাদের ওঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে। কিন্তু আপনারা তা করছেন না। আমি আপনাদের থেকে এটা আশা করিনি। আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইনি। আমি তিন-চারবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। এখন আমার মনে হচ্ছে ওঁদের আমার উপর ভরসা করতে বলে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বিশাল অপরাধ করে ফেলেছি।’‌

[আরও পড়ুন: কর্তারপুর করিডর উদ্বোধন, কেন্দ্রের কাছে পাকিস্তান যাওয়ার অনুমতি চাইলেন সিধু]

ক্লিপের সত্যতাকে চ্যালেঞ্জ না করে শনিবার ইয়েডি বলেছেন, দলীয় স্বার্থেই ওই কথা বলেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, “একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রকের ব্যাপারে হুব্বালিতে আমি ওই কথা বলেছিলাম। দায়িত্ববান কর্মীদের ওঁদের সম্পর্কে কটু মন্তব্য করা অনুচিত। আগামী পাঁচ তারিখের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” এদিকে. এই অডিও ক্লিপের উপর ভর করে কর্ণাটকের ইয়েদ্দি সরকার বাতিল করে দেওয়ার দাবি তুলেছে কংগ্রেস। প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন কংগ্রেস নেতারা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement