Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Bihar

গ্রামে জল আনতে ৩ কিলোমিটার খাল কেটেছিলেন, সেই বৃদ্ধকেই ট্রাক্টর উপহার আনন্দ মাহিন্দ্রার

বৃদ্ধের ৩০ বছরের প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছিল নেটদুনিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ২২:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ২২:১০

options
link
গ্রামে জল আনতে ৩ কিলোমিটার খাল কেটেছিলেন, সেই বৃদ্ধকেই ট্রাক্টর উপহার আনন্দ মাহিন্দ্রার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ গ্রামে জলের অভাব। নিদ্রাচ্ছন্ন প্রশাসন। পাহাড় বেয়ে পড়া বৃষ্টির জল গ্রামে আনতে তাই ৩০ বছর ধরে তিন কিলোমিটার লম্বা খাল কেটেছিলেন বিহারের (Bihar) লাথুয়া এলাকার কোঠিওয়ালা গ্রামের বাসিন্দা লঙ্গি ভুইঁঞা। তারপরই শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তিনি। কুর্নিশ জানিয়েছিল নেটদুনিয়াও। এবার সেই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ালেন মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা (Anand Mahindra)।

[আরও পড়ুন: দু’হাজার টাকার নোট ছাপানো কি একেবারে বন্ধ? অবশেষে উত্তর দিল কেন্দ্র]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদসংস্থা ANI জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির এই অনন্য কাজ দেখে খুশি হন আনন্দ মাহিন্দ্রা। ঠিক করেন লঙ্গির পাশে দাঁড়াবেন। এরপরই মাহিন্দ্রা ট্রাক্টর্সের (Mahindra Tractors) তরফ থেকে তাঁকে একটি উপহার ট্রাক্টর দেওয়া হয়। টুইট করে এই খবরটি দেন মাহিন্দ্রা নিজেই।

 

আসলে গয়া (Gaya) জেলা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরের এই গ্রামটি অবস্থিত পাহাড়ের কোলে। চারিদিকে ঘন জঙ্গল। আশেপাশের এলাকা আবার মাওবাদী (Maoists) অধ্যুষিত। জল মেলে না বললেই চলে। প্রশাসনও নিশ্চুপ। এদিকে, বর্ষাকালে বৃষ্টির জল পাহাড়ের গা বেয়ে নদীতে গিয়ে মেশে। আর এই বিষয়টি নজরে আসে লঙ্গির। তখনই তিনি ভাবেন, পাহাড় বেয়ে নামা জলকে কীভাবে গ্রামে নিয়ে আসা যায়। আর এরপরই খাল কাটার কথা মাথায় আসে। শুরু হয় লড়াই। যা থামল ৩০ বছর পর। গ্রামের অন্যান্যরা যখন রুটি–রুজির সন্ধানে বাইরে যান, তখন ওই খাল কাটার কাজেই মনোনিবেশ করেন লঙ্গি। দীর্ঘদিনের একক প্রচেষ্টায় ৩ কিলোমিটার লম্বা খালটি খনন করেন তিনি। এর ফলে উপকৃত হবেন ওই গ্রামের বাসিন্দারাই। কারণ বর্ষার জল পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে খালের সাহায্যে গ্রামের পুকুরে এসে পড়বে। ফলে জলের সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে। লঙ্গির এই কাজে খুশি হয়েছিলেন নেটিজেনরা। আর এবার পাশে দাঁড়ালেন খোদ আনন্দ মাহিন্দ্রা।

[আরও পড়ুন: ‘রাজা তোর কাপড় কোথায়?’ লোকসভায় মোদি সরকারকে ঝাঁজালো আক্রমণ মহুয়া মৈত্রর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.