Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
আত্মঘাতী শ্রমিকের ভিডিও

‘কাজ নেই’, আত্মহত্যার আগে ভিডিওয় আক্ষেপ শ্রমিকের

দেখুন ওই শ্রমিকের শেষ মুহূর্তের ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৯, ২১:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৯, ২১:২৩

options
link
‘কাজ নেই’, আত্মহত্যার আগে ভিডিওয় আক্ষেপ শ্রমিকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাজ নেই। তাই সংসার আর চলছিল না। স্ত্রী ও সন্তানদের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দিতে পারছিলেন না অন্ধ্রপ্রদেশের তিন নির্মাণ শ্রমিক। এর জেরে গত একমাসে অন্ধ্রের তেনালি, গুন্টুর ও
মঙ্গলগিরি এলাকার ওই তিন বাসিন্দা আত্মহত্যা করেন। সম্প্রতি তাঁদের মধ্যে ভেঙ্কটেশ নামে এক শ্রমিকের আত্মহত্যার ঠিক আগের মুহূর্তে তোলা ভিডিও সামনে এসেছে। আর তারপরই রাজ্যজুড়ে শোরগোল তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, কর্মহীন হয়ে পড়ায় কিছুদিন ধরেই মানসিক চিন্তায় ভুগছিলেন ভেঙ্কটেশ। তার জেরেই আত্মঘাতী হন গুন্টুরের গোরান্টলা এলাকার ওই বাসিন্দা। 

[আরও পড়ুন: ডিম খেতে দিত না স্বামী, রাগে প্রেমিকের সঙ্গে পালাল গৃহবধূ]

তিন সপ্তাহ আগে ভিডিওটি তোলা হয়েছিল। কিন্তু, সম্প্রতি সেটি টুইট করে বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। রাজ্যের এই ভয়ানক অবস্থার জন্য ক্ষমতাসীন ওয়াইএসআর কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডিকে দায়ী করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, নদীর বালি উত্তোলনের বিষয়ে রাজ্যের আইন পরিবর্তনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বহু নির্মাণ শ্রমিক। গত পাঁচমাস ধরে কাজ নেই তাঁদের। এর জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই তিনজন। একই কথা বলছেন মৃতদের পরিবারের সদস্যরাও।

Advertisement

[আরও পড়ুন:ইডি হেফাজতেই অসুস্থ চিদম্বরম, নিয়ে যাওয়া হল এইমসে]

মৃত্যুর আগে তোলা ওই ভিডিওতে ভেঙ্কটেশকে তেলুগু ভাষায় বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘কাজ নেই। বাড়িতে অভাব। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম।’ বিষয়টি যা সত্যি তা মেনে নিচ্ছেন তাঁর স্ত্রীও। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেই সংসার চালাতেন। অন্য কোনও কাজ জানতেন না। বালি তোলার কাজ বন্ধ হতেই তাই উনি কর্মহীন হয়ে পড়েন। এর ফলে সংসার খরচের পাশাপাশি এক বছরের ছেলের চিকিৎসা চালানো মুশকিল হয়ে পড়ছিল। বিষয়টি নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলেন উনি। তারপর আচমকা আত্মঘাতী হলেন। এখন আমাদের কী হবে তা নিয়েই চিন্তা করছি।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.