Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬

নিজের শিশুকে হত্যার আর্জি জানালো পরিবার!

চিকিৎসার খরচ এতটাই যে বহন করার ক্ষমতা নেই রমনাপ্পা এবং সরস্বতীর। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এই দম্পতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২২, ১৫:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২২, ১৫:১০

options
link
নিজের শিশুকে হত্যার আর্জি জানালো পরিবার! zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুধের শিশুটি আর কতদিনই বা পৃথিবীর আলো দেখল! ইতিমধ্যেই তার প্রাণনাশের চেষ্টায় একেবারে মত্ত হয়ে উঠেছেন তার মা-বাবা! কিন্তু কী এমন দোষ করেছে শিশুটি যে তার মৃত্যু কামনা করছেন তার পিতা-মাতা?
অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুরের এক দম্পতি নিজেদের আট মাসের সন্তানের মার্সি কিলিং-এর আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় আদালতে। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেন এমন নৃশংস দাবি করলেন দম্পতি তা জানতে পেরে খারাপ লাগা যেন দ্বিগুণ হয়ে যায়!
জানা গিয়েছে সেই শিশুটি লিভারের এক বিরল রোগে ভুগছে। চিকিৎসার খরচ এতটাই যে বহন করার ক্ষমতা নেই রমনাপ্পা এবং সরস্বতীর। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এই দম্পতি।
তাঁরা আদালতে জানান শিশুকন্যার চিকিৎসায় খরচ পড়বে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। পুরোপুরি সুস্থ হতে লেগে যাবে ছয় বছর। শুধু তাই নয় এই শিশুটির চিকিৎসায় প্রতি মাসে খরচ হবে ৫০,০০০ টাকা। এই অবস্থায় পরিবারের আদালতের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।
আদালতের কাছে নিজের আট মাসের মেয়েটিকে হত্যা করার অধিকার চেয়ে দম্পতি বলেন, “সন্তানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। তা না হলে তাকে হত্যা করার অধিকার দিন।”
কিন্তু আদালতের তরফে এই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়| দম্পতিকে উচ্চ আদালতে আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আশাহত হয়ে পড়া সরস্বতী জানিয়েছেন, “গ্রামের চিকিৎসক শিশুটির চিকিৎসা করছিলেন। কিন্তু কিছু লাভ হয়নি। সন্তানের শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। বরং অর্ধেক সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গিয়েছে সন্তানের চিকিৎসায়।”
কেউ যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, এখন এই আশাতেই দিন গুনছেন ওই দম্পতি।

Advertisement
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.