১৩ মাঘ  ১৪২৬  সোমবার ২৭ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষণের মতো নৃশংস অপরাধের বিচারের জন্য আর বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না। আদালতে ‘তারিখ পে তারিখ’-এর দিন শেষ হতে চলেছে। অন্তত, অন্ধ্রপ্রদেশে এবার থেকে ধর্ষকরা তাড়াতাড়ি শাস্তি পাবে। ধর্ষণ তথা মহিলাদের উপর হওয়া যাবতীয় অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে, এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে একাধিক বিল পাশ করাল অন্ধ্রপ্রদেশের জগনমোহন রেড্ডির সরকার। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘দিশা আইন’। যাতে বলা আছে অভিযোগ জমা পড়ার ২১ দিনের মধ্যে অভিযুক্তের সাজা নিশ্চিত করতে হবে।


শুক্রবার অন্ধ্র বিধানসভায় পাশ হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ ফৌজদারি সংশোধনী বিল। যার পোশাকি নাম ‘দিশা’। এই আইনে বলা হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর ২১ দিনের মধ্যে অপরাধীকে ফাঁসিতে ঝোলাতে হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ধর্ষণে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭ দিনের মধ্যে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করতে হবে। উপযুক্ত প্রমাণ জোগাড়ের পর ১৪ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে বিচারপ্রক্রিয়া। অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হলে ২১ দিনের মধ্যে ফাঁসিতে ঝোলাতে হবে অপরাধীকে।

[আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ অসম, CAB-এর প্রতিবাদে বিজেপি ছাড়লেন অভিনেতা যতীন বোরা]

একই দিনে মহিলাদের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলে ছাড়পত্র দিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ মন্ত্রিসভা। এই আইন অনুযায়ী, মহিলা এবং শিশুদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধের বিচারের জন্য বিশেষ আদালত গঠন করা হবে। প্রতিটি জেলায় এই বিশেষ আদালত স্থাপন করা হবে। মহিলা এবং শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ ছাড়া অন্য কোনও মামলার বিচার করবে না এই আদালতগুলি। এই আদালতগুলিতে ধর্ষণ, গণধর্ষণ, অ্যাসিড হানা, ধাওয়া করা, যৌন হেনস্তার মতো মামলাগুলির বিচার করবে।

[আরও পড়ুন: “নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনি মানছি না”, ঐক্যবদ্ধ পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী]

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসেজ বা ইমেলের মাধ্যমে যদি কোনও মহিলাকে হেনস্তা করা হয়, সেক্ষেত্রেও অপরাধী কড়া শাস্তি পাবে। তাঁদের বিচারও করবে এই বিশেষ আদালত। সেজন্যও বিশেষ আইন আনছে অন্ধ্রপ্রদেশ। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে ২ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। সেই সঙ্গে পকসো আইনেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পকসো আইনে আগে ন্যূনতম ২ বছরের জেল হত। তা বাড়িয়ে এখন পাঁচ বছর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং