সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) ছেড়ে ভারতেই ফিরে এলেন অঞ্জু (Anju)। জুলাই মাসে স্বামী-সন্তানকে ত্যাগ করে প্রেমের টানে সীমান্ত পেরিয়েছিলেন তিনি। পাকিস্তানে গিয়ে ধর্ম পরিবর্তন করে নিকাহও করেন। স্বামীর সঙ্গে কেক কেটে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসও পালন করতে দেখা যায় তাঁকে। তবে শেষ পর্যন্ত ভারতেই ফিরে আসতে হল অঞ্জুকে।
গত জুলাই মাসে গোটা দেশে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের অঞ্জু। ফেসবুকে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিলেন পাকিস্তানের যুবক নাসরুল্লার সঙ্গে। প্রেমের টানেই নিজের স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে পাকিস্তানে পাড়ি দেন অঞ্জু। সেখানে গিয়ে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে নিকাহও সেরে নেন। তাঁর নতুন নাম হয় ফতিমা। বিয়ের কয়েকদিন পরেই পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন করেন অঞ্জু। সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামীর সঙ্গে কেক কাটছেন অঞ্জু।
[আরও পড়ুন: শ্রমিকরা যখন আটকে, রাহুল-প্রিয়াঙ্কা তখন নাচছে! পরিবার তুলে কটাক্ষ হিমন্তের]
তবে সুখের সংসারে তাল কাটে কয়েকদিনের মধ্যেই। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মন খারাপ বলে ভারতে ফিরে আসতে চান অঞ্জু। তিনি বলেন, ”আমার মন খুব খারাপ। বাচ্চাদের কথা মনে পড়ছে। আমার জন্যই আমার পরিবারকেও হেনস্তা হতে হচ্ছে।” অন্যদিকে, অঞ্জুর স্বামী নাসরুল্লা বলেন, “আমার স্ত্রীর মানসিক ভারসাম্য নেই। সন্তানদের কথা ভেবেও খুব কষ্ট পাচ্ছেন তিনি।”
কয়েকদিন আগে জানা যায়, পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে ফিরে এসেছেন অঞ্জু। ওয়াঘা সীমান্ত পেরিয়েই ভারতে ঢোকেন তিনি। তবে সূত্রের খবর, পাকাপাকিভাবে ভারতে আসেননি অঞ্জু। নিজের ছেলেমেয়েকে দেখতেই কয়েকদিনের জন্য পাকিস্তান ছেড়েছেন তিনি। আপাতত এক বছরের জন্য অঞ্জুকে ভিসা দিয়েছে পাক সরকার। এই সময়টুকু পাকিস্তানেই থাকবেন তিনি।
[আরও পড়ুন: অমানবিক! স্কুল বাসে ২ নার্সারি ছাত্রীকে ধর্ষণ চালকের! রক্তাক্ত অবস্থায় ফিরল বাড়ি]
সর্বশেষ খবর
-
সম্পূর্ণ বেসরকারিকরণই কি ভবিষ্যৎ? ৯ কর্মী সংগঠনের চিঠির উত্তর দিল ইসরো
-
জল্পনার অবসান! ‘বিগ বস বাংলা’য় প্রথম ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি রাজবীরের, চেনেন এই অভিনেতাকে?
-
দিল্লিতে বাড়ি ভেঙে মৃত ৫, শোকপ্রকাশ মোদি-মুর্মুর, ‘এড়ানো যেত’, তোপ কংগ্রেসের
-
এক আইডিতে মার্কশিট, সার্টিফিকেট, ডিগ্রি! ‘এক দেশ, এক পড়ুয়া পরিচয়’ এবার বাংলাতেও
-
কপালে ‘খ’, পরনে শাড়ি! পডকাস্টে যন্ত্রণার কথা তুলে ধরে স্যান্ডি বললেন, ‘মুখে মূত্রত্যাগ করেছিল’