৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে সিস্টেম রাখা হল অরুণ জেটলিকে৷ হাসপাতাল সূত্রে খবর, শুক্রবার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে বিশেষ নজরদারিতে এই বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়৷ এদিন সকালেই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে যান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ৷ 

[ আরও পড়ুন: বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ]

সূত্রের খবর, অরুণ জেটলির শারীরিক অবস্থার উপর প্রতি মুহূর্তে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা৷ নজর রাখা হচ্ছে দলের তরফেও৷ সময়ে সময়ে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে কেন্দ্রকে৷ শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেই, অর্থমন্ত্রীকে দেখতে যান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অশ্বিণী কুমার৷ জানা গিয়েছে, অরুণ জেটলির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল টিমের সঙ্গেও কথা বলেন তাঁরা৷ শারীরিক অবস্থার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ নেন৷

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গত ৯ আগস্ট সকালে এইমসে ভরতি করা হয় অরুণ জেটলিকে৷ প্রথমে কার্ডিওলজি বিভাগে ভরতি করা হয় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে। বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তৈরি হয় মেডিক্যাল তারপর প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তরিত করা হয়৷ রাতেই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে যান উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা৷ ভরতি হওয়ার সপ্তাহ খানেক পর অরুণ জেটলির অবস্থার আরও অবনতি হলে, তাঁকে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রাখলেন চিকিৎসকরা৷

[ আরও পড়ুন: ‘কাশ্মীরিরা জন্তুর মতো খাঁচাবন্দি’, অমিত শাহকে চিঠি মেহবুবাকন্যার ]

প্রসঙ্গত, কয়েক বছর ধরেই শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন অরুণ জেটলি৷ ২০১৮ থেকে কিডনি সমস্যা থেকে ভুগতে থাকেন তিনি৷ ডায়ালিসিস শুরু হয়৷ কিডনি প্রতিস্থাপনও হয়৷ তারপর ধরা পড়ে ক্যানসার৷ এরপরই চিকিৎসার কারণে তিনি পাড়ি দেন আমেরিকায়৷ সেজন্যই ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থমন্ত্রী হয়েও প্রথম মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে দেখা যায়নি তাঁকে৷ তাঁর দায়িত্ব পালন করেন পীযূষ গোয়েল৷ এমনকী, দ্বিতীয়বার মোদির সরকার ক্ষমতায় ফিরলে এবার মন্ত্রিত্বের দৌড় থেকে সড়ে দাঁড়ান বিজেপির এই বর্ষীয়ান নেতা৷ দলের হয়ে কাজ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং