Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
শপথগ্রহণে মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন কেজরি

বাদ মমতা-রাহুল, শপথগ্রহণে মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন কেজরি

নেহাত রাজনৈতিক সৌজন্যতা নাকি নয়া রাজনৌতিক সমীকরণের ইঙ্গিত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০, ২০:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০, ২০:৩১

options
link
বাদ মমতা-রাহুল, শপথগ্রহণে মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন কেজরি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন না কোনও বিরোধী নেতা। বরং শুধুমাত্র হাজির থাকবেন দিল্লির জনগণ। বৃহস্পতিবার এমনটা জানিয়েছিলেন আপের সেকেন্ড-অন-কম্যান্ড মণীশ শিসোদিয়া। এই ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন খোদ কেজরিওয়াল। দলীয় সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন আম আদমী পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে ১৬ ফেব্রুয়ারি রামলীলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কেজরিওয়ালের এহেন আচরণে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও পরে প্রধানমন্ত্রীর তরফে জানানো হয় তিনি শপথগ্রহণে থাকতে পারছেন না। কারণ, রবিবার তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসী যাবেন।

প্রসঙ্গত, আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) নেতা তথা দিল্লির বিদায়ী মন্ত্রী গোপাল রাই কয়েকটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “অন্য কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা রাজনৈতিক নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। এটা শুধুমাত্র দিল্লির মানুষের অনুষ্ঠান হতে চলেছে।” দিল্লির বিদায়ী উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ শিসোদিয়া আগেই জানিয়েছিলেন, “দিল্লির প্রত্যেক নাগরিক তাঁদের ছেলে এবং ভাইকে আশীর্বাদ করতে আসতে পারেন। তাঁরা প্রত্যেকেই আমন্ত্রিত।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : কিশোরীকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুন, ত্রিপুরায় মৃত্যুদণ্ড দুই ধর্ষকের]

আপ সূত্রের খবর, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক না করে দিল্লিবাসীর জন্য উৎসবের বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই উদ্দেশ্যেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে আম দিল্লিবাসীকে। আর হ্যাঁ, সেই সঙ্গে আমন্ত্রণ পেয়েছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর ভাইরাল হওয়া খুদে ‘মাফলারম্যান’ও। শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদেক থেকে দূরত্ব বজায় রেখেও, প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোয় স্বভাবতই একাধিক জল্পনা উসকে দিয়্ছে।

[আরও পড়ুন : পুলওয়ামার শহিদদের স্মৃতিচারণায় প্রতিশোধের হুমকি সিআরপিএফের, টুইটে শ্রদ্ধার্ঘ্য মোদি-মমতার]

জাতীয় রাজনীতি থেকে দূরে রেখে স্রেফ দিল্লির উন্নয়ন করে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসেছেন কেজরিওয়াল। একসময় জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠারও চেষ্টা করেন। পরে প্রশান্ত কিশে্ার পরামর্শে সেই পথ থেকে সরে দাঁড়ান। কিন্ত এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করায় উঠছে প্রশ্ন। নিন্দুকদের প্রশ্ন, নিছক রাজনৈতিক সৌজন্যতা নাকি এর পিছনে কোনও নয়া রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত রয়েছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.