Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Babri masjid demolition case

বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায়দান : আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কোর্টে থাকবেন না বহু অভিযুক্তই

বুধবারই ২৮ বছর পুরনো মামলায় রায় দেবে সিবিআই আদালত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১২:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১২:৫১

options
link
বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায়দান : আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কোর্টে থাকবেন না বহু অভিযুক্তই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাত পোহালেই বাবরি মসজিদ ধ্বংস (Babri Masjid Demolition Case) মামলার রায়দান। সকল অভিযুক্তকে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। তারপরেও একাধিক হাই প্রোফাইল অভিযুর্ত লালকৃষ্ণ আডবানী , মুরলী মনোহর যোশী, কল্যান সিং, উমা ভারতীরা অনুপস্থিত থাকতে পারেন আদালতে। এদিকে রায়দানের কথা মাথায় রেখেই উত্তরপ্রদেশে আটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

১৯৯২ সালে মসজিদ ভাঙার মামলায় নাম জড়ায় একাধিক বিজেপি নেতার। ৩২ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা এখনও চলছে। এদের মধ্যে রয়েছে একাধিক হাই প্রোফাইল বিজেপি নেতা-নেত্রীরাও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ৩০ সেপ্টেম্বর, বুধবার তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে সিবিআই আদালত (CBI Court)। সকল অভিযুক্তকে এদিন আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক সুরেন্দ্র কুমার যাদব। কিন্তু বয়স ও করোনা পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে অভিযুক্তরা অনেকেই আদালতের নির্দেশকে এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে খবর।

Advertisement

[আরও পড়ুন ; ‘নতুন কৃষি আইন কৃষকদের বুকে বিঁধে যাওয়া ছুরির মতো’, কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের]

একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মামলায় অভিযুক্ত লালকৃষ্ণ আডবানী (L K Advani), মুরলী মনোহর যোশী (MM Joshi) আদালতে থাকবেন না। তাঁরা বয়সজনিত কারনে সশরীরে উপস্থিতি থেকে রেহাই চেয়েছেন। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আডবানীর বয়স ৯২ বছর ও যোশীর বয়স ৮৬ বছর। এদিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে দিল্লির এইমসে ভরতি আরেক অভিযুক্ত বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী (Uma Bharati)। তিনি আদালতে হাজির থাকতে পারবেন না। আরও দুই অভিযুক্ত কল্যান সিং ও রাম মন্দির ট্রাস্টের প্রধান মহন্ত নিত্যগোপাল দাসও সবেমাত্র করোনাকে হারিয়ে সের উঠেছেন। স্বাস্থ্যজনিত কারণ দেখিয়ে তাঁরা আদালতে গরহাজির থাকবেন বলে খবর।

[আরও পড়ুন ; নারী নিরাপত্তার চিহ্নমাত্র নেই উত্তরপ্রদেশে! হাথরাসের নির্যাতিতার মৃত্যুতে সরব প্রিয়াঙ্কা]

এদিকে এই মামলার রায় ঘিরে উত্তেজনা চরমে। রায়ের পর অশান্তি দানা বাঁধতে পারে এই আশঙ্কায় উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে এ নিয়ে যোগী সরকারকে আগেভাগে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। একাধিক গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ফের অশান্তি পাকাতে পারে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.