Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Shramik Special Train

‘ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়নি, তাই দেওয়াও হয়নি’, শ্রমিক স্পেশ্যালে পরিযায়ী মৃত্যু প্রসঙ্গে জানাল রেল

রেলমন্ত্রী জানালেন, নিহতদের পরিবারের তরফ থেকে কোনও ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়নি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০, ২২:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০, ২২:০৭

options
link
‘ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়নি, তাই দেওয়াও হয়নি’, শ্রমিক স্পেশ্যালে পরিযায়ী মৃত্যু প্রসঙ্গে জানাল রেল zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশব্যাপী লকডাউন চলার সময় পরিযায়ী (Migrant) শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে কেন্দ্র চালিয়েছিল শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন (Shramik Special Train)। গত শনিবার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়ানের লিখিত প্রশ্ন‌ের উত্তরে রাজ্যসভায় কেন্দ্রের তরফে জানানো হয় শ্রমিক স্পেশ্যালে যাত্রাকাল‌ীন এখনও পর্যন্ত ৯৭ জনের মৃত্যু (Migrant Death) হয়েছে। সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথমেই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, কত জন মারা গিয়েছেন সেই পরিসংখ্যান নেই। সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সেই অবস্থান থেকে সরে এসে শনিবার ৯৭ জনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করে কেন্দ্র।

এরপর দুই সাংসদ মালা রায় ও কুম্বাকুডি সুধাকরণের তরফে লিখিত প্রশ্নে নিহত পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবারের কতজনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে তা জানতে চান। সেই সঙ্গে আরও কয়েকটি প্রশ্নে ওই ট্রেনে নিহত পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়। ওই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল লিখিত উত্তরে জানিয়ে দিলেন, নিহতদের পরিবারের তরফ থেকে কোনও ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়নি। ফলে কাউকে ক্ষতিপূরণ দেওয়াও হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আইনজীবী খুনের ঘটনায় উত্তাল বিহারের বক্সার, রাস্তা অবরোধ সহকর্মীদের 

রেলমন্ত্রী সাফাই, রেল চত্বরে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাথা সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। তিনি জানান, রাজ্য পুলিশের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ৯৭ জন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ৯৭ জনের মধ্যে ৮৭ জনের দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে তাঁদের মধ্যে ৫১ জনের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ হিসাবে উঠে এসেছে হৃদরোগ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, ফুসফুসের অসুখ ইত্যাদি।

[আরও পড়ুন: NCB অফিসের বহুতলে আগুনকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য, রয়েছে সুশান্ত মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি]

তিনি জানিয়ে দেন, ট্রেনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় কেবল মাত্র ট্রেন দুর্ঘটনা অখবা কোনও অনভিপ্রেত হিংসার ঘটনা ঘটলে। প্রসঙ্গত, ট্রেনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮ লক্ষ ও আহতদের জন্য ৬৪ হাজার থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.