Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bengaluru

দেনার দায়ে মা-দিদির গলার নলি কাটার পর আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের! করুণ পরিণতি দু’জনের

বিপুল ঋণে ডুবে পরিবারের ৪ সদস্য মিলে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। এই ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৬:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৬:৪৯

options
link
দেনার দায়ে মা-দিদির গলার নলি কাটার পর আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের! করুণ পরিণতি দু’জনের zoom
বাড়ি থেকে বেরতে চাওয়ায় মায়ের বকুনি! অভিমানে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত যুবকের

বিপুল ঋণে ডুবে গিয়েছিল বেঙ্গালুরুর একটি পরিবার। এর জেরে পরিবারের ৪ সদস্য মিলে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো একটি ভিডিও বানিয়ে আত্মীয়দের পাঠিয়ে চরম পদক্ষেপ করেন। এই ঘটনায় পরিবারের চার সদস্যের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি দুইজন গুরুতর জখম অবস্থায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, ৩২ বছরের মোহন গৌড়া একটি চিট ফান্ড ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখানে ৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হত। এছাড়াও উগাডি উৎসবের সময় মাংস এবং দিওয়ালির সময় আতশবাজি সংক্রান্ত চিট স্কিমও চালাতেন মোহন। এর পাশাপাশি তিনি বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে উত্তরোত্তর তাঁর ঋণের বোঝা বাড়তে থাকে। ঋণ পরিষোধ করতে না পেরে একটা সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মোহন। এরপরই সকলে মিলে একটি ভিডিও রেকর্ড করেন। যেখানে তাঁরা জানান, দেনায় ডুবে গিয়ে তাঁরা এই চরম পদক্ষেপ করতে বাধ্য হচ্ছেন। ভিডিওটি আত্মীয়দের ফোনে পাঠানো হয়। এরপর মোহন ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রথমে তাঁর মা আশা (৫৫), দিদি বর্ষিতা (৩৪) ও ১১ বছরের ভাগ্নের গলা কাটেন। এরপর একইভাবে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

Advertisement

ভিডিওটি আত্মীয়দের কাছে পৌঁছলে দ্রুত তাঁরা মোহনের বাড়িতে ছুটে যান। কিন্তু বাড়ির ভিতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। সেই কারণে তাঁরা পিছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করে পরিবারের চার সদস্যকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। ৪ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মোহনের মা ও দিদিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মোহন ও তাঁর ভাগ্নে গুরুতর অবস্থায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বেঙ্গালুরু গ্রামীণ পুলিশ সুপার চন্দ্রকান্ত এমভি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, বিপুল আর্থিক ঋণ পরিষোধ করতে না পেরে পরিবারটি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.