সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্দেহ ছিল, লিভ ইন (Live-in) সঙ্গী অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। আর সেই সন্দেহের বশেই প্রেশার কুকার দিয়ে তাঁকে খুন (Murder) করলেন প্রেমিক! এমনই এক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru)। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।
ঠিক কী হয়েছিল? পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২৯ বছরের বৈষ্ণব নামের এক যুবকের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন ২৪ বছরের দেবা নাম্নী তরুণী। দু’জনেই কেরলের বাসিন্দা। বছর দুয়েক ধরেই লিভ ইন করছিলেন তাঁরা। কলেজ জীবন থেকেই তাঁদের বন্ধুত্ব। চাকরিও করতেন একসঙ্গে, একটি সেলস ও মার্কেটিং ফার্মে।
[আরও পড়ুন: ‘হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা হোক চাঁদকে’, হিন্দু মহাসভার প্রধানের দাবি ঘিরে শোরগোল]
কিন্তু গত রবিবার তাঁদের মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে। বৈষ্ণবের সন্দেহ হচ্ছিল, দেবা কারও সঙ্গে নতুন করে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এই নিয়েই বচসা। এরপরই রাগের চোটে ভারী প্রেশার কুকার দিয়ে দেবার মাথায় মারেন অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তরুণীর। এরপরই সেখান থেকে পালিয়ে যান বৈষ্ণব।
মৃতা তরুণীর বোন বারবার ফোন করেও দিদির তরফে কোনও সাড়া না পাওয়ার পরই তাঁদের সন্দেহ হতে থাকে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে খবর যায় পুলিশে। এরপরই সামনে আসলে মর্মান্তিক সত্য। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন বৈষ্ণব। পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুগলের অভিভাবকরা সকলেই জানতেন, তাঁরা লিভ ইন করছেন। পাশাপাশি বৈষ্ণবের সন্দেহ বাতিকের বিষয়টিও তাঁদের অজানা ছিল না বলেই দাবি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: ফ্রান্সের সরকারি স্কুলে এবার নিষিদ্ধ হতে চলেছে মুসলিম ছাত্রীদের আবায়া পরা]
সর্বশেষ খবর
-
ঠিকমতো খাবার পাচ্ছে না দত্তক-প্রাণীরা! খাদ্যে নজরদারির অধিকার অভিভাবকদের
-
বিপজ্জনক গতিতে ছুটে এল উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়, গাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু প্রৌঢ়র
-
পণের দাবিতে খুনে স্বামীকে শাস্তি দিতে প্রমাণের প্রয়োজন নেই! চাঞ্চল্যকর রায় এলাহাবাদ হাই কোর্টের
-
কংগ্রেসে ফিরছেন অমরিন্দর? রাহুলের প্রশংসার পর মুখ খুললেন ‘ক্যাপ্টেন’ নিজেই
-
‘এবার শান্তি পেয়েছেন তো?’ সনৎ দে-র গ্রেপ্তারিতে ‘পার্থ জ্যেঠু’র বিরুদ্ধে বিষোদগার মেয়ের