সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেউ যান মন্দিরে। কেউবা মসজিদে। ধর্মীয় রীতিনীতিও আলাদা। তার জায়গাও আলাদা। তবে কাশি পিরের দরগায় যেন সব আলাদা। এখানে মুসলিমরা তো আসেনই। এমনকী দলে দলে ভিড় জমান হিন্দুরাও। মুসলিম বালকের পাশেই পিরের দরগায় বসে থাকে খুদে হিন্দু মেয়েটি। সর্বধর্ম সমন্বয়ের এই আশ্চর্য ছবি তুলে ধরেছে আহমেদাবাদের এই দরগাটি।
[ পাক সেনার মুণ্ডচ্ছেদে ইনাম ৫ কোটি টাকা, ঘোষণা মুসলিম সংগঠনের ]
কিন্তু কীভাবে সম্ভব হয়েছে এই সমন্বয়? এর পিছনে আছে বিশ্বাস। বিশ্বাস যে এই দরগা থেকে দেওয়া জলে সেরে যায় কাশি। আর তাই দরগার নামই লোকমুখে হয়ে গিয়েছে কাশি পিরের দরগা। এছাড়া এই মন্ত্রপুঃত জলে আরও অনেক অসুখ সেরে যায় বলে বিশ্বাস। অনেকে নাকি হাতেনাতে তার ফলও পেয়েছেন। আর তাই দলে দলে সাধারণ মানুষ এসে ভিড় জমান এই পিরের দরগায়। রোগমুক্তির প্রত্যাশায়। সেখানে হিন্দু-মুসলিম কোনও ভেদাভেদ থাকে না।
[ বিকোচ্ছে ভারতের বিকৃত মানচিত্র, ফের বিতর্কে আমাজন ]
জাগুজি বিহল এসেছিলেন এই দরগায়। তিনিও জানাচ্ছেন, দরগা থেকে জল দেওয়া হয় তাতে সেরে যায় কাশি। খুবই উপকারি তা। একই কথা সোগাজি প্রজাপতির। অসুখ তো সারেই, মনেও প্রশান্তি আসে। কিন্তু হিন্দু হয়ে মুসলিমের দরগায় আসতে কোনও সমস্যা হয় না? তিনি সাফ জানাচ্ছেন, হিন্দু হোক আর মুসলমান সব একই। সে কথা জানাচ্ছেন দরগার মৌলবিও। জানাচ্ছেন, ৫০০ বছরের পুরনো এই দরগা এভাবেই সব ধর্মের সমণ্বয়ের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।
সর্বশেষ খবর
-
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে তিকিতাকার জয়, সুপার সাব ম্যাজিকে বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিতে স্পেন
-
মাঝরাস্তায় ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল চুরি! বর্ধমানে সক্রিয় বড়সড় চক্র, সতর্ক পুলিশও
-
পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ
-
আগামী মাসে নদিয়া সফরে মুখ্যমন্ত্রী, প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি থাকবেন সরকারি অনুষ্ঠানেও!
-
একমাসে দ্বিতীয়বার! ফের বঙ্গে আসছেন শাহ, আগামী সপ্তাহে একগুচ্ছ কর্মসূচি