Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
90 Degree Railway Bridge

নতুন নকশায় পুনর্নিমাণ হবে ভোপালের বিতর্কিত ৯০ ডিগ্রি সেতু, শীঘ্রই খুলবে জনসাধারণের জন্য

নতুন নকশা মেনে ৪-৫ দিনের মধ্যে পুনর্নিমাণের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তারপরেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে ব্রিজটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১২:৩৪

options
link
নতুন নকশায় পুনর্নিমাণ হবে ভোপালের বিতর্কিত ৯০ ডিগ্রি সেতু, শীঘ্রই খুলবে জনসাধারণের জন্য zoom
প্রায় ১০ মাস এভাবেই পড়েছিল ব্রিজটি।

নির্মাণের পর উদ্বোধনের অপেক্ষায় ছিল ব্রিজটি। তার আগে ব্রিজের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তার নকশা বা ডিজাইন নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিতর্কের জেরে সেই সময় মধ্যপ্রদেশের ভোপালের (Bhopal) ৯০-ডিগ্রি রেলওয়ে ওভারব্রিজটি (90 Degree Railway Bridge) উদ্বোধন করা সম্ভব হয়নি। প্রায় ১০ মাস এভাবেই পড়েছিল ব্রিজটি। সম্প্রতি পূর্ত দপ্তর ও রেলওয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হয়, নতুন করে ব্রিজের নকশা তৈরি করা হবে। সেই নকশা মেনে ৪-৫ দিনের মধ্যে পুনর্নিমাণের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তারপরেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে ব্রিজটি।

এই ব্রিজটি ভোপালের আইশবাগে অবস্থিত। মূলত যোগাযোগ মসৃণ করার লক্ষ্যেই নিউ ভোপাল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই রেলসেতুটি নির্মিত হয়। এরপরই ব্রিজটির নকশা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ব্রিজটিতে একটি ৯০ ডিগ্রির তীক্ষ্ণ বাঁক রয়েছে। উদ্বোধনের আগেই এই বাঁকের কারণে কয়েকটি যানবাহন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। উদ্বোধনের পরে দুর্ঘটনার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হয়েছিল। সেই কারণে সেই সময় উদ্বোধন স্থগিত করে দেওয়া হয়। ১০ মাস পর পূর্ত দপ্তর ও রেলওয়ের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ব্রিজটি নতুন করে ডিজাইন করা হবে। সংশোধিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ব্রিজেটর কোণের ব্যাসার্ধ ২ মিটার থেকে বাড়িয়ে প্রায় ২.৫ মিটার করা হবে। ব্রিজের প্রস্থও ৮.৫ মিটার থেকে ১০.৫ থেকে ১১ মিটার করা হবে। এর ফলে শুধু চারচাকা গাড়িই নয়, মাঝারি এবং ভারী যানবাহনও নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।

Advertisement

২০২৫ সালের জুন মাসে ব্রিজটি নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছিল। কিন্তু কখনও জনসাধারণের জন্য তা খুলে দেওয়া হয়নি। ব্রিজের ডিজাইন নিয়ে সমাজমাধ্যমে একের পর এক সমালোচনা, মিমের ঝড় বইতে থাকে। এরপরই পূর্ত দপ্তরের সাত ইঞ্জিনিয়ারকে সাসপেন্ড করা হয়। তদন্তে জানা যায়, পাশেই মেট্রো লাইন থাকায় ব্রিজের ডিজাইন তৈরিতে বিস্তর সমস্যা হয়েছিল। ব্রিজের বাঁক প্রশস্ত করতে তৈরি হয়েছিল প্রযুক্তিগত সমস্যা। কিন্তু এই ত্রুটিপূর্ণ ডিজাইন কীভাবে অনুমোদন পেল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভোপালের বাসিন্দারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.