১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বুধবার ২ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘বিজেপি যেটা বলে সেটা করে’, রাম মন্দিরকে হাতিয়ার করেই বিহারে ভোট চাইলেন মোদি

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: October 28, 2020 12:24 pm|    Updated: October 28, 2020 12:24 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনেও (Bihar Election 2020) স্থানীয় ইস্যুকে গৌণ করে, জাতীয় তথা বিজেপির (BJP) এজেন্ডাকে মুখ্য ভূমিকায় তুলে আনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বুধবার বিহারের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন নির্বাচন চলছে, তখনই দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য দ্বারভাঙ্গায় একটি জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী। আর এই জনসভা থেকে বিহারের স্থানীয় ইস্যুর থেকে অনেক বেশি শান তিনি দিলেন নিজেদের চিরাচারিত ‘হিন্দুত্ব’ ইস্যুতে। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের কৃতিত্ব পুরোটাই দিলেন নিজের দল বিজেপিকে। সেই সঙ্গে তোপ দাগলেন বিরোধীদেরও।

দ্বারভাঙ্গায় দাঁড়িয়ে মোদি বললেন,”বহু দশকের তপস্যার পর অবশেষে অযোধ্যায় ভব্য রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজনীতির সেইসব লোকের যারা কিনা এতদিন আমদের কাছে মন্দির নির্মাণের তারিখ জানতে চাইতেন, তাঁরাও আজ বাধ্য হয়ে হাততালি দিচ্ছে। বিজেপি যা বলে সেটা করে। এনডিএ (NDA) যা বলে সেটা করে।” মোদি বললেন,”মা সীতার এই এলাকায় এসে আমি এখানকার মানুষদের মন্দির নির্মাণের শুভেচ্ছা জানাই। কারণ, আপনারাই এর উপযুক্ত প্রাপক।” এই প্রথম নয়, এর আগেও বিহারের প্রচারে গিয়ে স্থানীয় ইস্যুর থেকে জাতীয় ইস্যুতে বেশি ফোকাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে এক জনসভায় তাঁকে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা নিয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছিল।

[আরও পড়ুন: করোনা বিধি মেনেই বিহারে চলছে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, জোর টক্কর নীতীশ-তেজস্বীর]

এদিনের দ্বারভাঙ্গার সভায় প্রধানমন্ত্রী নীতীশের (Nitish Kumar) ১৫ বছরের শাসনকাল সম্পর্কে সেভাবে আলোচনা করেননি। বরং, তার আগে লালুর আমলের ১৫ বছরের ‘জঙ্গলরাজ’ নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “বিহারের মানুষ ঠিক করে ফেলেছে, বিহারে জঙ্গলরাজ যারা চালিয়েছে তাঁদের আবার হারাবে। যারা বিহারকে লুটে নিয়েছে, তাঁদের আবার হারাবে। যারা বিহারের যুব সমাজকে ঠকিয়েছে, যারা মহিলাদের উপর নির্যাতন করেছে, তাঁদের আবার হারাবে। এদের ট্র্যাক রেকর্ড মনে রাখবেন। এরা সেইসব মানুষ যাদের আমলে বিহারে অপরাধমূলক কাজকর্ম দিগুণ হয়েছিল। এঁরা কৃষকদের ঋণ মকুব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেখানেও দুর্নীতি করে। এঁরা চাকরি দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করে। এরা বিহারকে ফের ‘বিমার’ রাজ্যে পরিণত করতে চায়।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement