BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

নিদ্রাচ্ছন্ন প্রশাসন, ৩০ বছর ধরে একার চেষ্টায় খাল কেটে গ্রামে জল আনলেন বৃদ্ধ

Published by: Abhisek Rakshit |    Posted: September 13, 2020 1:08 pm|    Updated: September 13, 2020 2:12 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ গোটা গ্রামে কয়েকশো মানুষের বসবাস। তবে গ্রামে পানীয় জলের ব্যবস্থা তেমন নেই বললেই চলে।বর্ষার জল পাহাড়ের গা বেয়ে সোজা চলে যায় নদীতে। সেই জল ধরে রাখার কোনও ব্যবস্থাও নেই। এদিকে প্রশাসনেরও সেদিকে কোনও হুঁশ নেই। ফলে নিজের কাঁধেই দায়িত্ব নিয়ে গোটা একটি খাল খুঁড়ে ফেললেন লাথুয়া এলাকার কোঠিওয়ালা গ্রামের বাসিন্দা লঙ্গি ভুইঁঞা। তাঁর এই কীর্তি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর লড়াইকে কুর্নিশ জানাচ্ছে নেটদুনিয়া।

[আরও পড়ুন:‌ মঞ্চে মন্ত্রীর চুল কাটতেই হল স্বপ্নপূরণ, পুরস্কার হিসেবে সেলুন খোলার অর্থ পেলেন যুবক]

আসলে গয়া (Gaya) জেলা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরের এই গ্রামটি অবস্থিত পাহাড়ের কোলে। চারিদিকে ঘন জঙ্গল। আশেপাশের এলাকা আবার মাওবাদী (Maoists) অধ্যুষিত। জল মেলে না বললেই চলে। এদিকে, বর্ষাকালে বৃষ্টির জল পাহাড়ের গা বেয়ে নদীতে গিয়ে মেশে। আর এই বিষয়টি নজরে আসে লঙ্গির। তখনই তিনি ভাবেন, পাহাড় বেয়ে নামা জলকে কীভাবে গ্রামে নিয়ে আসা যায়। আর এরপরই খাল কাটার কথা মাথায় আসে তাঁর। শুরু হয় লড়াই। যা থামল ৩০ বছর পর। গ্রামের অন্যান্যরা যখন রুটি–রুজির সন্ধানে বাইরে যান, তখন ওই খাল কাটার কাজেই মনোনিবেশ করেন লঙ্গি। দীর্ঘদিনের একক প্রচেষ্টায় ৩ কিলোমিটার লম্বা খালটি খনন করেন তিনি। এর ফলে উপকৃত হবেন ওই গ্রামের বাসিন্দারা। এবার বর্ষার জল পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে খালের সাহায্যে গ্রামের পুকুরে এসে পড়বে।

[আরও পড়ুন:‌ জ্বলন্ত পাটকাঠি ছোঁয়াতেই গর্তের মুখে জ্বলছে আগুন! শোরগোল বনগাঁয়, রহস্যটা কী?]

এই প্রসঙ্গে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘‌‘এই খালটি খুঁড়তে আমার ৩০ বছর লেগেছে। এর ফলে বৃষ্টির জল পাহাড় থেকে নেমে সোজা গ্রামের পুকুরে আসবে। গত ৩০ বছর ধরে এই কাজটি একাই করেছি। সবাই যখন কাজের সন্ধানে শহরে গিয়েছে, আমি তখন জঙ্গলে গিয়ে গবাদি পশু চরিয়েছি এবং খালটি খনন করেছি।‌’‌’ স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ‘‌‘‌গত ৩০ বছর ধরে একক দক্ষতায় ওই খাল কাটার কাজ করছেন ওই বৃদ্ধ। আজ খাল কাটা হয়ে যাওয়াতে শেষপর্যন্ত লাভ হবে সাধারণ মানুষের, এই গ্রামের। জলের সমস্যা মিটবে। কৃষিজমিতে জল আসবে।’‌’‌

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement