সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: রাহুল গান্ধীর ‘ডান্ডা’ মারা বিতর্কে তুমুল হইচই লোকসভায়। শুক্রবার এই ইস্যুতে হাতাহাতিতে জড়ালেন বিজেপি ও কংগ্রেস সাংসদরা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষবর্ধন যখন প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করার জন্য সমালোচনা করছিলেন, সেই সময় তাঁর দিকে তেড়ে যান দুই কংগ্রেস সাংসদ। তখন এক বিজেপি সাংসদ তাঁদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনায় তুমুল হট্টগোল শুরু হয় সংসদে। অধ্যক্ষ অধিবেশন দুপুর পর্যন্ত মুলতুবি করে দেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাহুল গান্ধী বেকারত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, ‘আগামী ছ’মাসের মধ্যে বেকাররা প্রধানমন্ত্রীর পিঠে ডান্ডা মারবেন’। বৃহস্পতিবারই রাহুল গান্ধীর কটাক্ষের পালটা জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নাম না করে কংগ্রেস সাংসদকে ‘টিউবলাইট’ বলে কটাক্ষ করেন এবং বলেন, সূর্য প্রণাম করে তিনি নিজের পিঠ এত শক্ত করবেন যাতে হাজার ডান্ডা খেলেও কিছু হবে না। এদিন লোকসভায় রাহুলের মন্তব্যের সমালোচনা করে বলতে ওঠেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষবর্ধন। তখন বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরি এর প্রতিবাদ করে বলেন, সংসদের বাইরের মন্তব্য নিয়ে এখানে আলোচনা করা যাবে না।
[আরও পড়ুন: শিয়রে দিল্লির নির্বাচন, সুপ্রিম কোর্টে পিছোল শাহিনবাগ মামলার শুনানি]
কিন্তু নিজের বক্তৃতা চালিয়ে যান হর্ষবর্ধন। সেইসময় কংগ্রেস সাংসদ মানিকম টেগোর ও হিবি ইডেন নিজেদের আসন থেকে উঠে আসেন। কার্যত দুজনে তেড়ে আসেন হর্ষবর্ধনের দিকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পিছন থেকে বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ সরণ সিং মানিকমকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে কংগ্রেস সাংসদদের অশ্রাব্য গালিগালাজ করতে থাকেন। হাতাহাতি বেধে যায় দু’পক্ষের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে অধ্যক্ষ অধিবেশন দুপুর পর্যন্ত মুলতুবি করে দেন।
সর্বশেষ খবর
-
ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনকে সাফ বার্তা, হরমুজে ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুতে ইরানকেও সমঝে দিলেন মোদি?
-
প্রাচীন সাহিত্যের হাত ধরে বন্ধুত্বে জোর! ব্রিকসে পুতিনকে তামিল গ্রন্থের অনুবাদ উপহার মোদির
-
ব্রিকসের মেনুতে বাংলার কুচো নিমকি, প্রিয় স্ন্যাকস কীভাবে বানালে অম্বল হবে না একটুও
-
কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে ছিনতাইবাজের রমরমা, ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক অভিযোগ! পুলিশি অ্যাকশনে আটক ৬২
-
চুপিসারে হাতিয়ে নিচ্ছে ওটিপি, নজরদারি হোয়াটসঅ্যাপেও! নতুন ম্যালওয়্যার ঘিরে আতঙ্ক