সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মারমুখী জনতার হাত থেকে মুসলিম দম্পতিকে বাঁচিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিলেন দিল্লির এক বিজেপি কাউন্সিলর। উত্তর-পূর্ব দিল্লির যুমনা বিহার (Yamuna Vihar) এলাকার ওই বিজেপি কাউন্সিলরের নাম প্রমোদ গুপ্তা। এই ঘটনার জন্য তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন আক্রান্ত সাহিদ সিদ্দিকির পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ একদল উন্মত্ত মানুষ আচমকা হামলা চালায় যমুনা বিহারের বাসিন্দা সাহিদ সিদ্দিকির বাড়িতে। প্রায় ১৫০ জন মানুষ বাড়িটি ঘিরে ফেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রথমে বাড়ির একতলায় থাকা একটি বুটিকের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারপর বাড়ির গ্যারাজ থেকে একটি চারচাকা গাড়ি ও বাইক বাইরে বের করে আগুন ধরিয়ে দেয়। সমস্যা জটিল হয়ে পড়েছে বুঝতে পেরে স্ত্রী ও দু’মাসের শিশু সন্তানকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান সাইদ সিদ্দিকি। আর এই খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বাড়িতে ছুটে আসেন পুরনো বন্ধু ও স্থানীয় ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রমোদ গুপ্তা। তারপর উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে সিদ্দিকির বাড়িটি রক্ষা করেন।
[আরও পড়ুন: করোনার কবলে ‘ডায়মন্ড প্রিন্সেস’, ভারতীয়দের উদ্ধারে যাচ্ছে চার্টার্ড বিমান]
পরে এপ্রসঙ্গে সাইদ সিদ্দিকি বলেন, ‘রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ একদল মানুষ আমাদের বাড়ি পাশ দিয়ে জয় শ্রী রাম স্লোগান দিতে দিতে যাচ্ছিল। আচমকা তারা আমাদের বাড়ি ঘিরে ফলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রথমে একতলায় থাকা আমাদের ভাড়াটের বুটিকে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারপর একটি গাড়ি ও বাইকে আগুন ধরায়। আমি সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি থেকে পালাচ্ছিলাম। সেসময় আমার পুরনো বন্ধু ও এই এলাকার কাউন্সিলর প্রমোদ গুপ্তা এসে আমাদের রক্ষা করেন। উন্মত্ত জনতাকে শান্ত করে আমাদের পরিবারকে ভয়ানক বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন। এই উপকারের কথা কোনওদিন ভুলতে পারব না।’
[আরও পড়ুন: ‘কেউ ছাড় পাবে না’, উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য নিজের দলের নেতাকেই বিঁধলেন গম্ভীর]
সর্বশেষ খবর
-
বন্দুক দেখিয়ে ইট লুঠ! এবার অনুব্রতের বিরুদ্ধে এফআইআর শান্তিনিকেতন থানায়
-
মাছ থেকে মার্কস! রেজ্জাকের শিষ্য কীভাবে হয়ে ওঠেন মমতার আস্থাভাজন? শওকতের উত্থান যেন চিত্রনাট্য
-
ইন্টারনেট টিভি নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা ট্রাই-এর, প্রতিবাদে সরব ওটিটি সংস্থাগুলি
-
ইউসুফের কাছে মমতার ‘ইস্তফা’ বার্তা পৌঁছে দেন? সৌরভ বলছেন, ‘ভুয়ো খবর’
-
পেট্রোলের বিকল্প এবার E85, বাতিল হবে পুরনো গাড়ি? কী বলছে কেন্দ্র