সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ৬০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত রয়েছে মণিপুরে। তবুও নিভছে না অশান্তির আগুন। এমনই দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে দ্রুত পদক্ষেপের আর্জি জানালেন মণিপুরের বিজেপি বিধায়ক রাজকুমার ইমো সিং।
তাঁর অভিযোগ, মণিপুরে অশান্তি শুরুর ১৫-১৬ মাস পরও শান্তি ফেরাতে পারেনি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাই এবার তাদের সরিয়ে নিরাপত্তা ফেরানোর দায়িত্ব দেওয়া হোক মণিপুরের প্রশাসনকেই। রাজকুমার ইমো সিং অমিত শাহকে লেখা চিঠিতে লিখেছেন, ‘মণিপুরে ৬০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও মণিপুরে তারা শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ। যদি বাহিনী নীরব দর্শক হয়েই থাকে তবে তাদের সরিয়ে দেওয়াই ভালো হবে। নিরাপত্তার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারকে দেওয়া হোক।’
[আরও পড়ুন: পথ অবরোধের চেষ্টায় বাধা দিতেই মহিলা ডিএসপির চুলের মুঠি ধরে টান বিক্ষোভকারীর!]
উল্লেখ্য, মণিপুরে শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে আগস্ট মাসেই বড় সাফল্য পেয়েছিল সেরাজ্যের বিজেপি সরকার। জিরিবাম জেলায় বিবাদমান দুই গোষ্ঠী কুকি এবং মেতেইদের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দুই পক্ষই অস্ত্র ছেড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে একে অপরকে সাহায্য করতে সম্মত হয়েছিল বলে মণিপুর সরকারের দাবি। তবে এক জেলার এই শান্তিপ্রক্রিয়া অন্য জেলায় কোনও দাগ কাটতে পারেনি। রবিবার কাংপোকপি জেলার নাখুজাং গ্রামে গুলির লড়াইয়ে প্রাণ হারান এক মহিলা। গুরুতর জখম হয় তাঁর ১২ বছরের কন্যাও।
তার পর থেকেই গোটা ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। কোন তরফ গুলির লড়াই শুরু করেছে, সেই নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করছে কুকি-মেতেইরা। মেতেইদের দাবি, কুকি জঙ্গিরা প্রথমে গুলি চালিয়েছে। পালটা কুকিদের দাবি, কুকি গ্রাম লক্ষ্য করে মেতেইরা আক্রমণ শুরু করেছে। ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়।
[আরও পড়ুন: প্রতিবাদে হাসি কেন? প্রশ্ন উঠতেই স্বস্তিকার পালটা, ‘পিরিয়ড হলে…’]
সর্বশেষ খবর
-
গেরুয়া হল সাদা, বিতর্কের মাঝে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের রং বদলে দিলেন শিল্পীরাই
-
আত্মনির্ভরতায় জোর, জলে ভাসল গার্ডেনরিচে তৈরি ‘শ্রুতি’, কতটা শক্তিশালী নৌবাহিনীর এই জাহাজ?
-
গুটিকয়েক কর্মীর বেতন দিতেই মাসিক ৫১ লক্ষ! সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল কালীঘাট তৃণমূলের খরচের বহর
-
শ্রীলঙ্কাতেও তাড়া করছে অস্ট্রেলিয়ার জুজু! টেস্টের আগে বিশেষ আবদার গম্ভীরদের, সুযোগ পাবেন নবি?
-
৯৬ ঘণ্টা পার, এখনও বাংলাদেশে আটকে জলপাইগুড়ির চাষি, দীপঙ্করের পরিবারে বাড়ছে উদ্বেগ