Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
BJP MP

গুরুতর অসুস্থ BJP সাংসদ প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর, তড়িঘড়ি উড়িয়ে আনা হল মুম্বইয়ের হাসপাতালে

একমাসের মধ্যেই এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হাসপাতালে ভরতি করা হল তাঁকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২১, ২০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২১, ২০:০২

options
link
গুরুতর অসুস্থ BJP সাংসদ প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর, তড়িঘড়ি উড়িয়ে আনা হল মুম্বইয়ের হাসপাতালে zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের গুরুতর অসুস্থ ভোপালের (Bhopal) বিজেপি (BJP) সাংসদ প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর (Pragya Thakur)। শ্বাসকষ্টের সমস্যা হওয়ায় শনিবার এয়ারলিফ্ট করে মুম্বইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে। একমাসের মধ্যেই এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হাসপাতালে ভরতি করা হল তাঁকে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রদেশের এই বিজেপি সাংসদের অফিসকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হওয়ার কারণে সাংসদকে এয়ারলিফ্ট করে মুম্বইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁকে কোকিলাবেন হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে বলে খবর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: CBSE’র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা সূচিতে রদবদল, নতুন দিনক্ষণ জানেন তো?]

এই নিয়ে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার হাসপাতালে ভরতি করা হল বিজেপি সাংসদকে। এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বুকে ব্যথা এবং এই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণেই দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল প্রজ্ঞা সিংকে। একটি আলাদা ওয়ার্ডে রেখেই তাঁর চিকিৎসা হয়েছিল। তত্ত্বাবধানে ছিলেন চিকিৎসক রণদীপ গুলেরিয়া। গত ডিসেম্বরেও বিশেষ আদালতে মালেগাঁও বিস্ফোরণের শুনানি আগের দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় আবার প্রজ্ঞা সিং অন্যতম অভিযুক্তও ছিলেন। যা নিয়ে অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলেছিলেন।

বিজেপির এই সাংসদ বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকতে পছন্দ করেন। সম্প্রতি ভোপালে একটি জনসভায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে গিয়ে রাহুল ও সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে অত্যন্ত অশালীন ভাষা প্রয়োগ করেন তিনি। রাহুলের বিষয়ে প্রজ্ঞা বলেন, “একবার কলেজ ছাত্রীদের প্রশ্ন করা হয়, তাঁরা কি এমন কাউকে বিয়ে করবেন? এটা শুনে মেয়েরা ওঁকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করে দিলেন। কোনও মেয়ে ওঁকে বিয়ে করতে চায় না। ওঁর কথা শুনলে বচ্চারাও হাসে। এমন মানুষও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। ইটালি থেকে নিজের সন্তানকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর স্বপ্ন দেখছে ওঁর মা। সবাই প্রধানমন্ত্রী হতে চাইছেন৷ কিন্তু তাঁদের সেই যোগ্যতা থাকতে হবে৷ কৃষক ও সেনাবাহিনীর নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে৷ কিন্তু কিছু দু’মুখো মানুষ বলছেন, সেনাবাহিনীর কোনও প্রয়োজনই নেই৷ যাঁর কোনও জ্ঞান নেই, সংস্কৃতি নেই, এমন একজন বিধর্মী এখন এইসব কথা বলছেন৷”

[আরও পড়ুন: সুদীপ জৈনেই আস্থা, ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবি খারিজ কমিশন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.