Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

ইভিএম হ্যাকিংয়ের অভিযোগ উড়িয়ে কংগ্রেসকে পালটা আক্রমণ বিজেপির

হ্যাকারের সাংবাদিক সম্মেলনে সিব্বলের উপস্থিতি নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৯, ২২:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৯, ২২:২৩

options
link
ইভিএম হ্যাকিংয়ের অভিযোগ উড়িয়ে কংগ্রেসকে পালটা আক্রমণ বিজেপির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ইভিএম হ্যাকিংয়ের গল্প ফেঁদে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের রায়কে অপমান করছে কংগ্রেস৷’ ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে এমনই দাবি করলেন বিজেপি নেতা রবিশংকর প্রসাদ৷ পালটা প্রশ্ন করলেন, ইভিএম হ্যাকিংয়ের সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও যোগাযোগ না থাকলে, সোমবার আইটি বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজার সাংবাদিক সম্মেলনে কী করছিলেন শীর্ষ কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল? কোন উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি৷

[ফের নিখোঁজ রাহুল গান্ধী! দুবাই সফরের পর দেখা মিলছে না কংগ্রেস সভাপতির ]

Advertisement

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, ‘‘২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে ইভিএম কারচুপির নিয়ে ভ্রান্ত অভিযোগ করছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা৷ ইতিমধ্যে এই বিষয়ে রায়ও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ আইটি বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজা ইভিএম হ্যাকিং-এর দাবি করলেও, কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি৷ কেন মুখ ঢাকা দিয়ে তিনি প্রকাশ্যে এলেন?’’ লন্ডনের তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজার সোমবারের বিতর্কিত সাংবাদিক সম্মেলন, উপস্থিত ছিলেন কপিল সিব্বল৷ তাঁর উপস্থিতি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই, কংগ্রেসকে আক্রমণ করতে শুরু করে গেরুয়া শিবির৷ এদিনের সাংবাদিক বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন রবিশংকর প্রসাদ৷ তিনি অভিযোগ করেন, সোমবারের বিতর্কিত ওই সাংবাদিক বৈঠকে পুরোটাই কংগ্রেসের সাজানো মঞ্চ৷ পিছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে কংগ্রেস৷ দলের হয়ে সমগ্র পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাতেই, সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী কপিল সিব্বল৷ যদিও বিজেপি এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস৷ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি জানান, ব্যক্তিগত কারণে সেখানে গিয়েছিলেন সিব্বল৷ এর সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই৷

[ইভিএম জালিয়াতি ধামাচাপা দিতেই খুন গোপীনাথ মুণ্ডে? ফের তদন্তের দাবি পরিবারের]

প্রসঙ্গত, সোমবার লন্ডনে সাংবাদিক বৈঠক করে সৈয়দ সুজা নামের এক হ্যাকারের দাবি করেন, মোদি হাওয়া নয়, আসলে ইভিএমে কারচুপি করে ভোটে জিতেছিল বিজেপি। মোট ২০১টি আসনে ইভিএম হ্যাক করে কংগ্রেসকে হারিয়েছে বিজেপি। মূলত মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশে ভোটিং মেশিন রিগ করা হয়েছিল। এছাড়াও একাধিক নির্বাচনে হ্যাক হয়েছে ইভিএম। তিনি আরও জানান, ভারতে যে ইভিএমগুলি তৈরি হয় একসময় এর ডিজাইন তিনিই বানাতেন। এই ইভিএমগুলি হ্যাক করা সম্ভব। ভারতের বিভিন্ন নির্বাচনে হ্যাক হয়েছে। ২০১৪ নির্বাচনেও হয়েছে। সৈয়জ সুজা জানান, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা গোপীনাথ মুণ্ডেও এই রিডিংয়ের কথা জানতেন। সেকারণেই, তাঁকে সরিয়ে দেয় মোদি সরকার। সৈয়দ সুজার দাবি, তাঁর নিজের জীবনও বিপন্ন। তাঁর উপরেও আক্রমণ হয়েছে। ভয়ে ভারত থেকে পালিয়ে মার্কিন মুলুকের এক পাগলা গারদে আশ্রয় চেয়েছেন তিনি। এদিনও নিজে প্রকাশ্যে আসেননি এই হ্যাকার। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ ইভিএম হ্যাক সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি এই হ্যাকারের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.