Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mallikarjun Kharge

‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে জরুরি অবস্থা নিয়ে নাটক’, এমার্জেন্সির বর্ষপূর্তিতে বিজেপিকে পালটা তোপ খাড়গের

'বিশ্বগুরু' মোদির বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ কংগ্রেস সভাপতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১৬:৫৬

options
link
‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে জরুরি অবস্থা নিয়ে নাটক’, এমার্জেন্সির বর্ষপূর্তিতে বিজেপিকে পালটা তোপ খাড়গের zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: জরুরি অবস্থার স্মৃতি উসকে বুধবার দেশজুড়ে সংবিধান হত্যা পালন করছে বিজেপি। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জরুরি অবস্থাকে গণতন্ত্রের ইতিহাসে ‘দেশের ইতিহাসের কালো অধ্যায়’ বলে কটাক্ষ করেন। এবার মোদির সেই কটাক্ষের কড়া জবাব দিল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে পালটা মোদির আমলেই অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে বলে দাবি করলেন। খাড়গের অভিযোগ, “প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে জরুরি অবস্থা নিয়ে নাটক করছেন মোদি।”

খাড়গের বক্তব্য, “৫০ বছর বাদে এমার্জেন্সির স্মৃতি খুঁচিয়ে তুলতে চাইছে বিজেপি। কারা করছে? সংবিধান তৈরিতে যাদের কোনও ভূমিকা ছিল না। রামলীলা ময়দানে সংবিধান জ্বালিয়েছিল। আম্বেদকর, নেহরু, গান্ধীর প্রতিকৃতি পুড়িয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস সভাপতির বক্তব্য, “অঘোষিত এমার্জেন্সি আপনি চালাচ্ছেন। ইন্দিরা গান্ধী নিজে মোরারজি দেশাইকে সঙ্গ দিয়ে সেই অধ্যাদেশ বাতিল করেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী পরে মেনে নিয়েছিলেন যে ভুল হয়েছে, অধ্যাদেশ তুলে নেওয়ার সময়ও ভোট দিয়েছিলেন। তারপরের নির্বাচনে জনতাই সব মেনে নিয়ে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ আসন জেতায়।”

Advertisement

মোদি জমানায় যে অঘোষিত এমার্জেন্সি চলছে, সেটা বোঝাতে একাধিক অভিযোগ করেছেন খাড়গে। তিনি বলছেন, পহেলগাঁও নাশকতার পর বিশেষ অধিবেশন চাইলাম, শুনল না। সর্বদলীয় বৈঠক চাইলাম, ডাকল, নিজে থাকল না। ভোট প্রচার করতে চলে গেল। একবার নয়, দুবার। মণিপুর কবে থেকে জ্বলছে, গুরুত্ব দিচ্ছে না, যাচ্ছে না। আগের প্রধানমন্ত্রীদের থেকে অনেক বেশি, অনেক উন্নত সুরক্ষা আপনার সঙ্গে। তাও এত ভয়? সংবিধানকে আপনি বিপদে ফেলছেন। বাক স্বাধীনতা, অভিব্যক্তির স্বাধীনতা কোথায়? কোনও সাংবাদিক বা কাগজ সমালোচনা করলে পছন্দ করেন না।” কংগ্রেস সভাপতির অভিযোগ, “আগের প্রধানমন্ত্রীরা সাংবাদিক সম্মেলন করতেন। ইনি সিলেক্টেড সাংবাদিক ডেকে সিলেক্টেড প্রশ্ন দিয়ে সেই লাইনে কথা বলেন। এই তো গণতন্ত্র! বিচারব্যবস্থা চাপে, নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণে, (বেচারা) রাজ্যপালদের নির্দেশ দিয়ে পরিচালনা করেন। সব সংগঠনে আরএসএস এর লোক।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যে তাঁর অনুগামীরা ‘বিশ্বগুরু’ বলে বড়াই করেন, সেটারও তীব্র প্রতিবাদ করেন খাড়গে। তাঁর কটাক্ষ, “চ্যালারা বলে বিশ্বগুরু, ট্রাম্প বলেই গেল যে ওর মধ্যস্থতায় ভারত-পাক পরিস্থিতি শান্ত হল। একবারও বলার সাহস দেখাতে পারল না, যে আমি করেছি। কীসের বিশ্বগুরু? ট্রাম্পের হয়ে প্রচার করে এল। এটা কখনও হয়? আর ট্রাম্প পাত্তা না দিয়ে নিজের ঢাক পিটিয়ে গেল।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.