সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘রামের নামে ভোট করানোই বিজেপির একমাত্র লক্ষ্য।’ পুরনো জোটসঙ্গীকে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। করোনা পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রে ধর্মীয় স্থানে প্রবেশ ও রামলীলার অনুমতি দেওয়া নিয়ে বিজেপির-শিব সেনার তুমুল দ্বন্দ্ব চলছে। এবার সেই ইস্যুতেই অন্যান্য বিরোধীদের ভাষাতেই বিজেপিকে কটাক্ষ করল প্রাক্তন জোটসঙ্গী।
মহারাষ্ট্রে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এমন পরিস্থিতিতেও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে আরব সাগরের তীরের রাজ্য। ব্যবসার কথা মাথায় রেখে হোটেল-বার-রেস্তরাঁ-শপিং মল খুলে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কোনও ধর্মীয় স্থান খোলার অনুমতি সরকার এখনও দেয়নি। এমন পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রে রামলীলা করতে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বিজেপি। তাঁদের আবেদন, সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মেনেই মহারাষ্ট্রে রামলীলা করতে দেওয়া হোক। এই আবেদনে তাঁরা বার-রেস্তরাঁ খুলে দেওয়ারও উদাহরণ টেনে এনেছেন। কিন্তু সেই আবেদনে কর্ণপাত করেননি উদ্ধব। বরং তাঁর কটাক্ষ, “গেরুয়া শিবিরের একমাত্র লক্ষ্য রামের নামে ভোট জোগাড় করা। এটাই তাঁরা সম্প্রতি করে আসছে।”
[আরও পড়ুন : হাথরাসের পুনরাবৃত্তি বারাবাঁকিতে, দলিত তরুণীকে চাষের জমিতে ধর্ষণ করে খুন]
মহারাষ্ট্রে ধর্মীয় স্থান খোলা অনুমতি না দেওয়ায় তীব্র বিতর্ক চলছে। এ নিয়েই সোমবার মুখ্যমন্ত্রীকে এক চিঠিতে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ তথা রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারি লেখেন, “জানি না কোনও ঐশ্বরিক নির্দেশে মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত বার বার পিছিয়ে দিচ্ছেন কিনা। হঠাৎই কি ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হয়েছেন, যে শব্দটা চিরকাল ঘৃণা করে এসেছেন?” রাজ্যপালের এ হেন মন্তব্যে কার্যত হতবাক ওয়াকিবহাল মহল। পালটা চিঠিতে উদ্ধব বলেন,”আপনার কাছ থেকে হিন্দুত্বের সার্টিফিকেট নেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি কোনও ঐশ্বরিক নির্দেশ পান কিনা জানতে চান? আপনি হয়ত সে সব পান। আমি অত কেউকেটা নই।” সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল উদ্ধবরে নয়া মন্তব্য।
[আরও পড়ুন : পাকিস্তানও ভারতের চেয়ে ভালভাবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে, দাবি রাহুলের]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!
-
অভিষেকের কথাই শেষ কথা নয়! দলের খোলনলচে বদলে বড় সিদ্ধান্ত বিদ্রোহে ‘বিপন্ন’ মমতার
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা
-
১৯৭০-এর মডেল, ৬,১৭৫ গ্রাম সোনা! ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির দাম শুনলে চমকে যাবেন
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা