Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Assam Mine

অসমে র‍্যাট-হোল খনি বিপর্যয়ে উদ্ধার আরও ৩ দেহ, এখনও আটকে ৫!

৩১০ ফুট গভীর এই খনির ১০০ ফুট পর্যন্ত জলে ডুবে রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৬:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৬:০৫

options
link
অসমে র‍্যাট-হোল খনি বিপর্যয়ে উদ্ধার আরও ৩ দেহ, এখনও আটকে ৫! zoom
চলছে উদ্ধারকাজ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসমের ডিমা হাসাওয়ের ‘ব়্যাট হোল’ খনি দুর্ঘটনায় উদ্ধার হল আরও ৩ জনের দেহ। সবমিলিয়ে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ জন। এখনও ওই অবৈধ কয়লা খনিতে বন্দি রয়েছেন ৫ জন শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধারে সমস্তরকম চেষ্টা চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। যদিও সময় যত গড়াচ্ছে উদ্ধারের আশা ততই ক্ষীণ হচ্ছে।

গত সোমবার ওই অবৈধ খনিতে জল ঢুকে পড়ায় বন্দি হয়ে পড়েন ভিতরে কাজ করা শ্রমিকরা। বলা হচ্ছে, অবৈধ খনির ১০০ ফুট গভীরে জল পৌঁছে গিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকলের পাশাপাশি উদ্ধারকাজে নামে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার অনুরোধ পেয়ে খনি থেকে শ্রমিকদের উদ্ধারে সাহায্য করছে সেনা। শ্রমিকদের উদ্ধারের পর দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে পৌঁছতে প্রস্তুত রয়েছে সেনার হেলকপ্টার। জানা গিয়েছে, ক্রেন এবং দড়ির ব্যবহারে খনিতে নেমেছেন উদ্ধারকারীরা। তবে খনির মধ্যে জল থাকার কারণে পদে পদে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার কাজ। গত বুধবার ৯ শ্রমিকের মধ্যে এক যুবকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। শনিবার আরও ৩ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হল।

Advertisement

মৃতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গিয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর পরিচয় প্রকাশ্যে এনেছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘তিনি দিমা হাসাওয়ের বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সি লিগেন মাগার। বাকি দুইজনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি তিনি বার্তা দেন, সর্বশক্তি দিয়ে ওই বিপজ্জনক খনিতে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা করছি আমরা। আমাদের আশা হারালে চলবে না সর্বশক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হবে । এই কঠিন সময় আমরা নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে আছি।’

এদিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ৩১০ ফুট গভীর এই খনির ১০০ ফুট পর্যন্ত জলে ডুবে রয়েছে। সেখান থেকে জল বের করতে ওএনজিসি ও কোল ইন্ডিয়ার থেকে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন আনা হয়েছে। পাশাপাশি খনিটি শুধু বেআইনি খনি নয়, ১২ বছর আগে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেনার তিন বাহিনীই উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে। খনিটি এতটাই বিপজ্জনক যে সেখানে দাঁড়ানো তো দূরের মাথা নিচু করে এগোনোও কঠিন। বসে থাকলে মাথার থেকে ছাদের দূরত্ব মাত্র ৪-৫ ইঞ্চি।

উল্লেখ্য, ব়্যাট-হোল মাইনিং এমন একটি পদ্ধতি যা সাধারণত অসম, মেঘালয় রাজ্যে কয়লা উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কোনও যন্ত্রের সাহায্যে নয়, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে শ্রমিকরাই গর্ত খুড়ে কয়লা উত্তোলন করেন। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.