Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Odisha

আত্মসমর্পণের আগেই সঙ্গীদের হাতে খুন! ওড়িশার জঙ্গল থেকে উদ্ধার মাও নেতার পচাগলা দেহ

অন্বেষ ওরফে রেণুর মাথার দাম ছিল ২২ লক্ষ টাকা। সম্প্রতি ওড়িশার জঙ্গল থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৬:৫৬

options
link
আত্মসমর্পণের আগেই সঙ্গীদের হাতে খুন! ওড়িশার জঙ্গল থেকে উদ্ধার মাও নেতার পচাগলা দেহ zoom
আত্মসমর্পণের পথ নয়, জঙ্গলযুদ্ধ চালিয়ে যেতে নামবদল মাওবাদী নেতা আকাশের, প্রতীকী ছবি
Advertisement

আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদ নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই কাজ অনেকটাই গুটিয়ে এনেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এর মধ্যেই আত্মসমর্পণের জন্য মনস্থির করে ফেলা এক শীর্ষ মাও নেতাকে দলের লোকেরাই খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠল। মাওবাদীদের সশস্ত্র শাখার কমান্ডার ছিলেন অন্বেষ ওরফে রেণু। তার মাথার দাম ছিল ২২ লক্ষ টাকা। সম্প্রতি ওড়িশার জঙ্গল থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়েছে।

ওড়িশা পুলিশের দাবি, অন্বেষ আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছিলেন। তা জানতে পেরে মাওবাদী নেতা সুকরু এবং তাঁর দলবল অন্বেষকে খুন করে। কন্ধমালের পুলিশ সুপার বিসি হরিশ বলেন, “সুকরু এবং তাঁর সঙ্গীরা মিলেই যে অন্বেষকে হত্যা করেছে, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত। অন্বেষ কয়েক জন মাওবাদী ক্যাডারকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Top Maoist commander was allegedly killed by his own group in Odisha
মাওবাদীদের সশস্ত্র শাখার কমান্ডার ছিলেন অন্বেষ ওরফে রেণু।

ওড়িশা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের পরে অন্বেষের দেহ পুঁতে দেওয়া হয়েছিল ওড়িশার দাড়িংবাড়ির পাকারি জঙ্গলে। মনে করা হচ্ছে, জানুয়ারির শেষ দিকেই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। বুধবার ওই জঙ্গলের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় তাঁর আধপচা দেহ। উল্লেখ্য, ছত্তিশগড়ের সুকমা থেকে উঠে আসা অন্বেষ মাওবাদীদের কালাহান্ডি-কন্ধমাল-বৌধ-নয়াগড় আঞ্চলিক কমিটির সদস্য ছিলেন। মাওবাদীদের মিলিটারি প্ল্যাটুনেরও কমান্ডার ছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত এক বছরে অধিকাংশ মাও শীর্ষ নেতাকে খতম করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। কেউ কেউ উপায়হীন ভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন। এই অবস্থায় গভীর জঙ্গলে লুকিয়া থাকা মাও সদস্যরা কোণঠাসা। তারাও আত্মসমর্পণের কথাই ভাবছে। এক ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অন্বেষ ওরফে রেণু। যদিও তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.