১৪ মাঘ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৮ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্য রাষ্ট্রপতির সিলমোহর দেওয়া সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) বিরোধিতায় জ্বলছে গোটা দেশ। সেই তালিকায় নাম জুড়ল রণক্ষেত্র রাজধানী। এই আইনের বিরোধিতায় দক্ষিণ দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখায় জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। বাধা দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতেও জড়িয়ে পড়ে তাঁরা। এরপরই ভাঙচুরের পাশাপাশি একাধিক গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়।

অশান্তির সূত্রপাত যদিও দিন তিনেক আগেই। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বিরোধিতায় গত শুক্রবার থেকে আন্দোলনে শামিল জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার পড়ুয়ারা। রবিবারই যেন তা চরম আকার ধারণ করে। এদিন নিউ ফ্রেন্ড কলোনিতে প্রথমে পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তার ফলস্বরূপ একে একে মথুরা রোড-সহ একাধিক রাস্তা অবরূদ্ধ হয়ে যায়। আশ্রম চক, বদরপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির যান চলাচলেও প্রভাব পড়ে। কয়েক হাজার মানুষের বিক্ষোভে প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায় রাজধানী।

[আরও পড়ুন: ‘পোশাক দেখেই বোঝা যায় কারা হিংসা ছড়াচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক]

বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামে পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে প্রথমে কথা বলেন পুলিশকর্মীরা। তবে তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পরিবর্তে পুলিশের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েন প্রত্যেকে। বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। তাতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। একের পর এক বাসে আগুন জ্বালাতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। একে একে মোট ৩টি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অবশেষে বাধ্য হয়ে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে পুলিশ।

সংশোধিত নাগরিকত্ব বিলের বিরোধিতায় আন্দোলনের এই হিংস্র পন্থার চূড়ান্ত সমালোচনা করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রাজধানীর রাজপথে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের সংখ্যা। বেশ কয়েকটি স্টেশনের মেট্রো গেটও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।


এদিকে, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর দরজার সামনে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং