Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল

এনআরসির দিকে আরও এক ধাপ! নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে ছাড়পত্র মন্ত্রিসভার

বৃহস্পতিবারই সংসদে পেশ হতে পারে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৯, ১২:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৯, ১২:৫৬

options
link
এনআরসির দিকে আরও এক ধাপ! নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে ছাড়পত্র মন্ত্রিসভার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এনআরসির দিকে আরও এক পদক্ষেপ এগিয়ে গেল কেন্দ্র সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই জানিয়েছিলেন, আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আনা হবে, তারপর হবে এনআরসি। ২০২৪ সালের মধ্যে গোটা দেশে এনআরসি করবে মোদি সরকার। সেই লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোলো কেন্দ্র। মন্ত্রিসভায় ছাড়পত্র পেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল।


বুধবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ শুরু হয় কেন্দ্রিয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের খসড়া পেশ করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। সর্বসম্মতিক্রমে খসড়াটি ছাড়পত্র পায় বলে সরকারি সূত্রের খবর। সরকারের প্রস্তাবিত বিলটি আসলে ১৯৫৫-র নাগরিকত্ব আইনের সংশোধিত খসড়া। এর মূল বক্তব্য হল, তিনটি প্রতিবেশী দেশ থেকে আগত অমুসলিম শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্ব দিতে হবে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত ৬টি অমুসলিম জাতি হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ, পার্সি এবং জৈন ধর্মাবলম্বীদের নাগরিক্ত দেবে ভারত। মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা এ দেশের নাগরিকত্ব পাবে না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১৭ হাজার কোটি টাকা নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ৫১ প্রতারক]

বিলটি মন্ত্রিসভায় পাশ হয়ে যাওয়ায় লোকসভায় পেশে আর কোনও বাধা রইল না। সম্ভবত আগামিকালই বিলটি লোকসভায় পেশ করতে চলেছে সরকার। এই মুহূর্তে লোকসভা বা রাজ্যসভা কোনও কক্ষেই বিল পাস করাতে সমস্যা হওয়ার কথা নয় সরকারের। ইতিমধ্যেই, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বিজেপি সংসদদের জানিয়ে দিয়েছেন, বিলটি পেশ করার সময় সকলকে সংসদে উপস্থিত থাকতে হবে।

[আরও পড়ুন: প্রিয়াঙ্কার সুরক্ষায় গাফিলতিতে সাসপেন্ড ৩ আধিকারিক, রাজ্যসভায় পাশ SPG সংশোধনী বিল]

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। বিরোধী দলগুলির দাবি, এভাবে ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে নাগরিকত্ব দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। এটা আসলে বিদ্বেষ ছড়ানো। আবার উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি এই বিলটির বিরোধিতা করছে। কারণ তাঁদের মতে, এই বিল পাস হয়ে গেলে উত্তরপূর্বের ভূমিপুত্রদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যেতে পারে। বিরোধিতা সত্ত্বেও যদি বিলটি পাশ হয়ে আইনে পরিণত হয়, তাহলে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে অনেকটা সুবিধা পাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.