Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
জেহাদ

‘জেহাদ’ উচ্চারণ করলেই কেউ জঙ্গি বনে যায় না, পর্যবেক্ষণ আদালতের

পুলিশকর্মীদের আক্রমণ করার সময়ই ‘জেহাদ’ শব্দটির উচ্চারণ করেছিল রাজ্জাক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৯, ১০:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৯, ১০:০৯

options
link
‘জেহাদ’ উচ্চারণ করলেই কেউ জঙ্গি বনে যায় না, পর্যবেক্ষণ আদালতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখে ‘জেহাদ’ উচ্চারণ করলেই কেউ সন্ত্রাসবাদী বনে যায় না। এক মামলার প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য এই নিদান দিল মহারাষ্ট্রের আকোলা জেলা আদালত। এক ধাপ আরও এগিয়ে ওই আদালত সন্ত্রাসে অভিযুক্ত তিন যুবককে রেহাইও দিয়েছে।

[আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের পরের মুখ্যমন্ত্রী হবেন শিব সেনার, ‘সামনা’র ঘোষণায় উদ্বেগে বিজেপি]

Advertisement

ঘটনা চার বছর আগের, আকোলার পুসাদ এলাকার। ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, একটি মসজিদের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের উপর হঠাৎই ছুরি নিয়ে চড়াও হয় এক মুসলিম যুবক, আবদুল রাজ্জাক (২৪)। ঘটনাস্থলেই ২জন পুলিশকর্মীকে সে কোপায় এবং চিৎকার করে বলে, ইদে ওই এলাকায় গোমাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ করার জন্যই সে পুলিশকর্মীদের খুন করতে চায়। ওই সময় রাজ্জাকের সঙ্গে সেখানে ছিল আরও দু’জন। শোয়েব খান (২৪) এবং সেলিম মালিক (২৬)।

শুধু তাই নয়। পুলিশকর্মীদের আক্রমণ করার সময়ই ‘জেহাদ’ শব্দটির উচ্চারণ করেছিল রাজ্জাক। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই পরে গ্রেপ্তার করা হয় রাজ্জাক-সহ তিন জনকে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় অস্ত্র আইন, বম্বে পুলিশ আইন-সহ একাধিক ধারায়। এমনকী, সন্ত্রাসদমন শাখার (এটিএস) তরফেও অভিযোগ দায়ের করা হয়।

এটিএসের দাবি ছিল, অভিযুক্তরা মুখে বার বার ‘জেহাদ’ উচ্চারণ করছিল, যা থেকে স্পষ্ট, তারা শহরের মুসলিম যুবক-যুবতীদের ফুঁসলে জঙ্গিদলে নাম লেখানোর চক্রান্তে জড়িত। কিন্তু বুধবার মামলার শুনানিতে এটিএসের সেই দাবি নস্যাৎ করে দেন বিশেষ বিচারক এএস যাদব। তিনি বলেন, “সব পক্ষের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে, রাজ্জাক রেগে গিয়ে ‘জেহাদ’ শব্দটি উচ্চারণ করেছিল। তার রাগ ছিল সরকারের বিরুদ্ধে এবং কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিরুদ্ধে, যারা গো-নিধন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। রাজ্জাক হিংসার রাস্তা বেছে নিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু ‘জেহাদ’ উচ্চারণ করেছে বলেই তার গায়ে সন্ত্রাসবাদীর তকমা এঁটে দেওয়া ঠিক নয়। কারণ, ‘জেহাদ’ শব্দের অর্থ কঠোর সংগ্রাম। এর সঙ্গে সন্ত্রাসের কোনও যোগ নেই। তাই রাজ্জাক সন্ত্রাসবাদী নয়।” প্রসঙ্গত, দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় রাজ্জাক ইতিমধ্যেই তিন বছর কারাদণ্ড ভোগ করেছে।

[আরও পড়ুন: চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ছেলের! দায়ের মামলা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.