Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

দুর্নীতির দায়ে সিবিআইয়ের জালে ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট কর্নেল

মোটা টাকার বিনিময়ে সেনা অফিসারদের পছন্দসই জায়গায় বদলি করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৩, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৩, ১৬:১৩

options
link
দুর্নীতির দায়ে সিবিআইয়ের জালে ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট কর্নেল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সেনবাহিনীর অন্দরে। এবার দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে পড়ল খোদ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর। মোটা টাকার বিনিময়ে সেনা অফিসারদের পছন্দসই জায়গায় বদলি করার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রঙ্গনাথন সুব্রমণি মণি-র বিরুদ্ধে। আর এই অভিযোগেই তাকে এবং গৌরব কোহলি নামে এক দালালকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। এছাড়া এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও বেশ কয়েকজন সেনা অফিসারের ওপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরে রয়েছে বলে খবর।

[‘পরিষ্কার’ হতে যোগীকে ১৬ ফুট লম্বা সাবান পাঠাচ্ছেন দলিতরা]

এর আগে বৃহস্পতিবার লেফ্টেন্যান্ট কর্নেল রঙ্গনাথন সুব্রমণি মণি, সেনা অফিসার পুরষোত্তম, গৌরব কোহলি এবং আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ১৯৮৮ সালে তৈরি দুর্নীতি দমন আইনের ৫টি ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধি ১২০(‌বি)‌ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছিল সিবিআই। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, ঘুষ নেওয়া এবং সরকারি কর্মীদের উপর নিজেদের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও এফআইআর-এ এক ব্রিগেডিয়ারের নাম থাকলেও অভিযুক্তের তালিকায় তার নাম রাখা হয়নি। তিরুবনন্তপুরমের বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মণি ১৯৯৪ সালের অগস্টে পাশ করে। এরপর ২০১৫ সাল থেকে তিনি দিল্লিতে সেনার সদর দপ্তরে কর্মরত। সেখান থেকেই এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

[ভারতকে এস-৪০০ মিসাইল সরবরাহ করতে চলেছে রাশিয়া]

জানা গিয়েছে, প্রচুর টাকার বিনিময়ে গৌরব কোহলি ও পুরষোত্তমের সঙ্গে মিলে সেনা অফিসারদের তাঁদের পছন্দসই জায়গায় বদলি করত রঙ্গনাথন। এর জন্য নিজেদের যোগাযোগ এবং পদের ব্যবহারও করত। সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসাররা আরও জানতে পেরেছেন, যেসমস্ত সেনা অফিসাররা নিজেদের পছন্দের জায়গায় বদলি হতে চাইতেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করত পুরুষোত্তম। তারপর যোগাযোগ করত গৌরব কোহলির সঙ্গে। কারণ সেনার অন্দরে গৌরবের অনেক অফিসারের সঙ্গেই পরিচয় ছিল। আর সেই প্রভাব খাটিয়ে কাজ হাসিল করত সে। এভাবেই বেঙ্গালুরু থেকে সিকন্দরাবাদ এবং ভাইজ্যাগে ডিএসআরকে রেড্ডি ও সুভাষ নামে দুই অফিসারকে বদলি করিয়েছিল এই চক্র। হাওয়ালার মাধ্যমে হাতবদল হয়েছিল টাকা। সুভাষ ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন নিজের পছন্দের জায়গায় বদলি নেওয়ার জন্য। লেফটেন্যান্ট কর্নেলের বাড়িতে সেই টাকা নিয়ে গিয়েছিল কোহলি। সেনা সদর দপ্তরে এক ব্রিগেডিয়ারের সঙ্গেও দেখা করে তারা। ইতিমধ্যে গোটা চক্রটির হদিশ পেতে সেনার তরফ থেকে সিবিআই-কে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বাধীনতা এবং প্রয়োজনে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

[নেতাজি অন্তর্ধান রহস্যে নেওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াল কেন্দ্র]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.