Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Energy Crisis

‘ভারতে কোনও জ্বালানি সংকট নেই’, দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে কী জানাল কেন্দ্র?

ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ সংকটের জেরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে বিশ্বজুড়ে। এই অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে দেশের তেলের দাম বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছিল তৈল সংস্থাগুলি। এরপর ভোটপর্ব মিটতেই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে সেই দাম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ২০:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ২০:৫৮

options
link
‘ভারতে কোনও জ্বালানি সংকট নেই’, দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে কী জানাল কেন্দ্র? zoom
ইরান যুদ্ধের জেরে নানাভাবে বিপাকে পড়েছে ভারত। ফাইল ছবি।
Advertisement

পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘ সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি-উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার কেন্দ্র জানিয়ে দিল, ভারতে কোনও জ্বালানি সংকট নেই। একইসঙ্গে মোদি সরকার স্পষ্ট করেছে, ভারত যে কোনও ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। যদি সংঘাত থেমে যায় তাহলে চার-পাঁচ দিনের মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

সোমবার পরিবহন, পর্যটন ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক ছিল। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বন্দর, নৌপরিবহন মন্ত্রণকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে পশ্চিম এশিয়ার উদ্ভূত সংকট নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, কেন্দ্রের আধিকারিকরা কমিটিকে জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা সত্ত্বেও দেশে জ্বালানি সরবরাহে কোনও সংকট নেই। সরকারের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ভারতের কাছে ৭৮ দিনেরও বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় উল্লেখযোগ্য সুরক্ষা প্রদান করবে।    

Advertisement

সূত্রের খবর, বৈঠকে সার আমদানির বিষয়টিও উঠেছিল। কারণ, ভারত ৩০ শতাংশেরও বেশি সার হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমদানি করে। সরকারি কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, সার সরবরাহ অক্ষুণ্ণ রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা এবং পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সংকট মোকাবিলায় বর্তমানে কেন্দ্রের কৌশল তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। সেগুলি হল – কৌশলগত মজুদ বজায় রাখা, আমদানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং নৌপরিবহন, জ্বালানি, বাণিজ্য ও কূটনীতি বিষয়ক মন্ত্রণকগুলির মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা।

এদিকে ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ সংকটের জেরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে বিশ্বজুড়ে। এই অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে দেশের তেলের দাম বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছিল তৈল সংস্থাগুলি। এরপর ভোটপর্ব মিটতেই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে সেই দাম। তবে জ্ব্বলানি তেলের দাম বাড়লে শুধু পরিবহণ খরচ বাড়ে না, সার্বিক জীবনযাপনে এর বিরাট প্রভাব পড়ে। ইতিমধ্যেই জ্বালানি তেলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে দুধ ও রুটির।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.