সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভয়াবহ জাতি সংঘর্ষে উত্তাল হয়েছিল মণিপুর। পরিস্থিতি সামাল দিতে গোটা রাজ্যে লাগু করা হয়েছিল আফস্পা। মঙ্গলবার ফের মণিপুরে বাড়িয়ে দেওয়া হল সেনার বিশেষ অধিকার আইন। আগামী ৬মাসের জন্য মণিপুর জুড়ে বলবৎ থাকবে আফস্পা। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই উত্তর-পূর্বের আরও দুই রাজ্য নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে আফস্পার মেয়াদ বাড়িয়েছিল কেন্দ্র।
সোমবার বিবৃতি জারি করে কেন্দ্রের তরফে বলা হয়, মণিপুরে জঙ্গি এবং উগ্রপন্থীরা সমানেই হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়াও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে মণিপুরের রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন রাখার প্রয়োজন রয়েছে সেরাজ্যে। তাই আগামী ৬ মাসের জন্য মণিপুরে আফস্পার মেয়াদ বাড়ানো হল। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আফস্পা লাগু হয়েছিল মণিপুরে। এপ্রিল মাসে ফের বাড়ানো হয় বিশেষ অধিকার আইনের মেয়াদ।
সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন ‘আফস্পা’ তোলার দাবিতে মণিপুরে ইরম শর্মিলা চানু-র অনশনের কথা সবার জানা। কিন্তু সেই আইনের বলেই মণিপুরে শান্তি ফেরাতে মরিয়া কেন্দ্র। যদিও কুকি-মেতেই সংঘাতের আগুন এখন অনেকটাই স্তিমিত। তা সত্ত্বেও আফস্পার মতো বিতর্কিত আইন প্রত্যাহার করতে নারাজ কেন্দ্র। তবে গোটা মণিপুর আফস্পার আওতায় থাকলেও বিশেষ ছাড় রয়েছে ১৯টি থানার। রাজধানী ইম্ফল ছাড়াও বিষ্ণুপুর, জিরিবাম এবং লামপেলের কিছু এলাকায় থাকবে না আফস্পা।
উল্লেখ্য, স্থানীয়দের বিক্ষোভ, বিরোধীদের কটাক্ষ উড়িয়ে গত বৃহস্পতিবার নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল প্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় আফস্পার মেয়াদ বাড়িয়েছিল কেন্দ্র। নাগাল্যান্ডের আট জেলা ডিমাপুর, নিউল্যান্ড, চুমুউকেডিমা, মন, খিপিরে, নোকলাক, ফেক এবং পেরেনে বলবৎ এই আইন। অন্য পাঁচ জেলার ২২টি থানা এলাকাকে উপদ্রুত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অরুণাচল প্রদেশের ৩ জেলাতেও আফস্পার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘বন্ধ হওয়া সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি খুলুক’, বাংলা সিনেমার স্বার্থে বিজেপি সরকারকে আর্জি যিশুর
-
দাউদাউ আগুনে জ্বলে উঠল বৃদ্ধাশ্রম, মৃত্যু ১১ জনের!
-
কলকাতা বন্দরে দেশবিরোধীদের মদত তৃণমূল মাফিয়াদের! গোয়েন্দা নজরদারির পথে রাজ্য সরকার
-
পুরনো ফোন বিক্রি করলে তথ্য বেহাত হবে না তো? এই সহজ পদ্ধতিতে থাকুন নিরাপদ
-
পরিবহণ বিপ্লব শুভেন্দুর, কলকাতায় প্রথম ওয়াটার মেট্রো, সাগরমালায় জুড়ল বাংলা