Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
চন্দ্রযান-২

ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনে জ্বালানি লিক, চাঁদমামার দেশে যাওয়া হল না চন্দ্রযানের

চন্দ্রযান-২-র ফের উড়ান কবে? তা জানতেই অধীর আগ্রহে দেশবাসী৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ০৯:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ০৯:০১

options
link
ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনে জ্বালানি লিক, চাঁদমামার দেশে যাওয়া হল না চন্দ্রযানের zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীহরিকোটা: ইতিহাস পাতায় নাম তুলতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল গোটা দেশ। বাইরে শান্ত থাকলেও ইসরোর বিজ্ঞানীদের ভিতরে উত্তেজনা যেন লাভার মতো ফুটছিল। তবে চাঁদমামার দেশে যে শেষমেশ যাওয়া হবে না, তা কেই বা জানতয! ঠিক ৫৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে থমকে গেল কাউন্টডাউন। যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য স্থগিত হয়ে গেল চন্দ্রযান ২-এর উড়ান। জানা গিয়েছে, এই উড়ানে বাদ সেধেছে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন।

[আরও পড়ুন: বাঙালি চন্দ্রকান্তের অ্যান্টেনায় ভর করে ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযান]

Advertisement

রবিবার মাঝ রাতে, ২টো ৫১ মিনিটে মাটি কাঁপিয়ে উড়ে যাওয়ার কথা ছিল ‘বাহুবলী’র। না, সিনেমার চরিত্র নয়। বাহুবলী একটি রকেট, জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক থ্রি। ইসরো সূত্রে খবর, এই রকেটের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন থেকেই লিক করছিল জ্বালানি। ফলে বাতিল করে দেওয়া হয় উড়ান। উল্লেখ্য, একটি রকেটে বেশ কয়েকটি স্টেজে বা ধাপে জ্বালানি ভরা থাকে। একে একে ইন্ধন শেষ হলে হলে মূল যান থেকে খসে পড়ে সেগুলি। এমনই একটি স্টেজ হচ্ছে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন। সেটিতে তরল হাইড্রোজেন ভরা থাকে। চন্দ্রযান-২ কে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই তরল হাইড্রোজেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দেখা যায়, সেটি থেকে চুঁইয়ে পড়ছে জ্বালানি। ফলে সতর্কতা অবলম্বন করে স্থগিত করা হয় অভিযান।   

উল্লেখ্য, চন্দ্রযান-২-এর জন্য খরচ হয়েছে সাম্প্রতিক ‘অ্যাভেঞ্জার্স এন্ড গেম’-এর থেকে ঢের কম। হলিউডি ছবিটি তৈরি হয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারে। সেখানে দ্বিতীয় চন্দ্রযানের বাজেট মাত্র ১৪ কোটি ডলার। এদিকে ডিআরডিও-র প্রাক্তন শীর্ষ আধিকারিক রবি গুপ্ত জানিয়েছেন, অতিশয় জটিল মহাকাশ অভিযানে প্রতি সেকেন্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ক্ষুদ্র জিনিসের উপরও তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হয়। সেক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি ধরা পড়লে অভিযান সাময়িকভাবে বাতিল করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।

এদিকে, ফের কবে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-২, তা এখনও জানায়নি ইসরো। বিশেষজ্ঞদের মতে এহেন যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াও, উৎক্ষেপণের জন্য আবহাওয়া থেকে শুরু করে অনেক কিছুই মাথায় রাখতে হয়। ফলে পরবর্তী অভিযান  কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসও পিছিয়ে পড়লে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।          

[আরও পড়ুন: চন্দ্রযানের সাফল্য কামনা, ঐতিহ্য মেনে মন্দিরে পুজো রাষ্ট্রপতি-ইসরো প্রধানের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.