Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
China

এবার অরুণাচল সীমান্তে ‘আগ্রাসী’ গতিবিধি লালফৌজের, সতর্ক সেনা

সীমান্তে কড়া নজর রাখছে রাখছে ভারতীয় বাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০, ১৮:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০, ১৮:৪৩

options
link
এবার অরুণাচল সীমান্তে ‘আগ্রাসী’ গতিবিধি লালফৌজের, সতর্ক সেনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পূর্ব লাদাখে বাধ্য হয়ে পিছু হঠেছে চিনা হানাদার বাহিনী। কিন্তু আশঙ্কা জাগিয়ে এবার অরুণাচল সীমান্তে ‘আগ্রাসী’ গতিবিধি শুরু করেছে লালফৌজ। এই গোটা ঘটনাচক্রের উপর কড়া নজর রাখছে রাখছে ভারতীয় বাহিনী।

[আরও পড়ুন: লাদাখ ইস্যুতে আলোচনার দাবি মানতে নারাজ সরকার! লোকসভায় ওয়াকআউট কংগ্রেসের]

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) সীমান্তে চিনা এলাকার বেশ কিছুটা ভিতরে বিশাল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করছে লালফৌজ। তবে এই গতিবিধি নজর এড়ায়নি সীমান্তে মোতায়েন ভারতীয় জওয়ানদের। ফলে যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় তৈরি থাকতে একইভাবে সীমান্তের এপারে অবস্থান মজবুত করা হচ্ছে। এক শীর্ষ সরকারি আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছে, লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চিন সীমান্তে প্রস্তুত রয়েছে ভারতীয় বাহিনী। প্যাংগং হ্রদ সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা ভারতের দখলে চলে যাওয়ায় এবার নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে চিনা সেনাবাহিনী। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অরুণাচল প্রদেশে ভারত-চিন সীমান্ত। সেখানে আসাফিলা, টুটিং ও ফিশটেল ২ এলাকাগুলিতে সীমান্তের অপরদিকে চিনা গতিবিধি নজরে এসেছে। তাই সেখানে সেনাঘাঁটি আরও মজবুত করেছে ভারত।

Advertisement

গালওয়ান উপত্যকায় ভারত (India) ও চিনের (China) মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের পর আলোচনার কথা বললেও ময়দান থেকে ফৌজ সরায়নি বেজিং। লাদাখে দুই দেশের বাহিনীর কোর কমান্ডার স্তরের বেশ কয়েকদফা বৈঠকের পরই ফল হয়নি কিছুই। একইভাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও চিনের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকেও মেলেনি কোনও রফাসূত্র। এহেন পরিস্থিতিতে গত আগস্ট মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখ একতরফাভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার অবস্থান বদলে ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করতে এগিয়ে আসে প্রায় ২০০ চিনা সৈনিকের একটি দল। তবে এবার প্রস্তুত ছিল ভারতীয় বাহিনী। আগ্রাসন প্রতিহত করে এতদিন পর্যন্ত ফাকা পড়ে থাকা প্যাংগং হ্রদের দক্ষিণে পাহাড়ি অঞ্চলগুলির দখল নিয়ে নেয় ভারতীয় সেনা। বেগতিক দেখে পিছিয়ে যায় লালফৌজ। যদিও চিনের দাবি, তারা সীমান্তে কোনও রকম আগ্রাসন দেখায়নি। উলটে ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধেই সীমান্ত পার হয়ে উত্তেজনা ছড়াবার অভিযোগ তুলেছে।

উল্লেখ্য, বৈঠকের পরও প্যাংগং লেক ও ফিঙ্গার এলাকাগুলি থেকে পিছু হটতে রাজি হয়নি চিনারা। বরং পূর্ব লাদাখের গালওয়ান, গোগরা, হট স্প্রিং, দেপসাং সমতলভূমি, প্যাংগং হ্রদ ও পাহাড়ির খাঁজ বা ফিঙ্গার পয়েন্টগুলোতে চিনের বাহিনীকে ঘাঁটি গেড়ে থাকতে দেখা যায়। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্যাংগং লেকের দক্ষিণের অংশ এখন ভারতীয় সেনার নজরদারিতে রয়েছে। চিনের বাহিনী তাদের সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

[আরও পড়ুন: লাদাখে রুখে দেওয়া হয়েছে চিনা হানাদারদের, সংসদে জানালেন রাজনাথ সিং]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.