Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Remdesivir)

মিলল ছাড়পত্র, দেশেই তৈরি হবে করোনা জয়ের হাতিয়ার রেমডেসিভির

দুই ভারতীয় সংস্থাকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২০, ১৪:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২০, ১৪:৩৭

options
link
মিলল ছাড়পত্র, দেশেই তৈরি হবে করোনা জয়ের হাতিয়ার রেমডেসিভির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ভারতেই তৈরি হবে করোনা চিকিৎসার ওযুধ রেমডেসিভির (Remdesivir)। ওষুধ প্রস্তুতকারক ভারতীয় দুই সংস্থা-সিপলা (Cipla) ও হেটেরো (Hetero) এই অনুমতি পেয়েছে। ফলে জুন মাসের শেষের দিকেই এই দুই সংস্থার তৈরি করা ওষুধ ভারতের বাজারে চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে এক মার্কিন সংস্থাকে এই ওষুধ ভারতে বিক্রির অনুমতি দিয়েছিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (DCGI)। ইতিপূর্বে ফ্যাভিপিরাভিরকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।

এই রেমডেসিভিরকে প্রাথমিক ভাবে কোভিড-১৯ (Covid-19) রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে বলে ছাড়পত্র মিলেছে। ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শুধুমাত্র সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। ফলে দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই ওষুধের চাহিদাও বাড়তে শুরু করেছে। তাই এবার দুই ভারতীয় সংস্থাকে ওষুধ তৈরির অনুমতি দেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পাঁচটি দেশিয় সংস্থা রেমডেসিভির তৈরির আবেদন জানিয়েছিল। তার মধ্যে সিপলা (Cipla) ও হেটেরো (Hetero), এই দুটি সংস্থা অনুমতি পেয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘যোগাসনেই কমবে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা’, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক

আমেরিকার জিলেড সায়েন্সেস প্রথম এই ড্রাগ নিয়ে গবেষণা শুরু করে। তারপরে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই রেমডেসিভিরকে সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ইমারজেন্সি ইউজ অথরাইজেশন বা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। জিলেডকে ভারতেও ওই ওষুধ বিক্রির অনুমতি দেয় ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। এরপরই ছটি ভারতীয় ওষুধের সংস্থার সঙ্গে জিলেডের এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তি অনুসারে সিপলা, হেটেরো, জুবলিয়েন্ট লাইফ সায়েন্স, বিআরডি মইলাননের মতো ছটি সংস্থা ভারতে এই ওষুধ তৈরি ও বিপণন করতে পারবে। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন শর্তপূরণে সমর্থ হয়েছে মাত্র দুটি সংস্থা। তাঁরাই এখন করোনা জয়ের এই ওষুধ বানাতে পারবে। তবে নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, তাঁদের তৈরি ওষুধের আপাতত ক্লিনিকাল ট্রায়াল হবে না।

[আরও পড়ুন: দিনরাত ভারত বিরোধী গান চলছে নেপালের রেডিও স্টেশনে, বিরক্ত উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দারা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.