Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Citizenship Amendment Act

লোকসভা ভোট ঘোষণার আগেই কার্যকর CAA! তুঙ্গে জল্পনা

২০১৯-এর শেষে CAA-তে রাষ্ট্রপতির সিলমোহর পড়লেও বিধি তৈরি হয়নি। তাই এখনও আইনটি কার্যকর করা যায়নি। গত পাঁচ বছরে বহুবার এই আইন কার্যকর করার দাবি উঠেছে। আবার বিরোধিতাও হয়েছে। কিন্তু কোনও না কোনও অজুহাতে পিছিয়ে গিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪, ১৬:২৪

options
link
লোকসভা ভোট ঘোষণার আগেই কার্যকর CAA! তুঙ্গে জল্পনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী মাসের শুরুতেই দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে যাবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবিতে শোরগোল। সূত্রের দাবি, সিএএ-র বিধি প্রণয়নের কাজ সারা। খসড়া তৈরি। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই বিধি কার্যকর করে দেবে মোদি সরকার। যা প্রকাশ্যে আসার পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

২০১৯-এর শেষে CAA-তে রাষ্ট্রপতির সিলমোহর পড়লেও বিধি তৈরি হয়নি। তাই এখনও আইনটি কার্যকর করা যায়নি। গত পাঁচ বছরে বহুবার এই আইন কার্যকর করার দাবি উঠেছে। আবার বিরোধিতাও হয়েছে। কিন্তু কোনও না কোনও অজুহাতে পিছিয়ে গিয়েছে কেন্দ্র। আসলে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন যখন কার্যকর হয়, তখনই দেশজুড়ে কার্যত আগুন জ্বলে। গত কয়েক বছরে তাই আর ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘হিরো’ সাজা বাইকচালকদের সতর্কবার্তা, রোহিতের বার্তা হাতিয়ার রাজ্য পুলিশের]

কিন্তু এই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিজেপির ইস্তেহারে ছিল। তাই সেটা কার্যকর করার দাবি উঠছে দলের ভিতরেই। কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, লোকসভার আগেই সিএএ কার্যকর হয়ে যাবে। তারপরই দিল্লির অন্দরে জল্পনা আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে। ১৯৫৫ সালে দেশে নাগরিকত্ব আইন করা হয়েছিল বেআইনি অনুপ্রবেশ ঠেকাতে। ২০১৯ সালের সংশোধনীতে ওই আইনের ২ নম্বর ধারাটি সংশোধন করে ২(১)বি যুক্ত করা হয়। সেই ধারায় বলা হয়- বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানরা বেআইনি অনুপ্রবেশকারীর দলে পড়বে না। এই সংশোধনীটি আনার সঙ্গে সঙ্গে দেশজুড়ে আগুন জ্বলে। এই আইন ‘অসাংবিধানিক’ ও ‘সংবিধানের পরিপন্থী’ এই দাবি বারবার উঠে আসে আন্দোলনকারীদের মুখে।

আগামী মাসের শুরুতেই রাজ্যে আসার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ১ মার্চ ও ৭ মার্চ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় দফায় বাংলায় আসার আগেই সিএএ’র বিধি কার্যকর হয়ে যাবে। সেটা হয়ে গেলে মতুয়াদের মধ্যে ভোটপ্রচারে নয়া আইনকে হাতিয়ার করতে পারবেন মোদি (Narendra Modi)।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.