Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Menstrual Leave

‘মহিলাদের কেউ চাকরি দেবে না’, ঋতুকালীন ছুটির আবেদন খারিজ করে বললেন প্রধান বিচারপতি

আবেদনকারী জানান, শীর্ষ আদালত যেন রাজ্যগুলিকে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৪:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৪:৪৯

options
link
‘মহিলাদের কেউ চাকরি দেবে না’, ঋতুকালীন ছুটির আবেদন খারিজ করে বললেন প্রধান বিচারপতি zoom

ঋতুকালীন ছুটি (Menstrual Leave) দিলে কোনও সংস্থাই মহিলাদের নিয়োগ করবে না! বেনজির মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে ঋতুকালীন ছুটি (Supreme Court on Menstrual Leave) সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছিল। আবেদনকারী জানান, শীর্ষ আদালত যেন রাজ্যগুলিকে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মতে, ঋতুকালীন ছুটি যদি আইনভাবে বাধ্যতামূলক করা হয় তাহলে কোনও সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করবে না।

শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন ঋতুকালীন ছুটি চেয়ে। তাঁর আপিল ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা কর্মী-সকলের জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। উদাহরণ হিসাবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের উল্লেখ করা হয়। ২০১৩ সালে রাজ্যের অধীনস্থ সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে মহিলাদের ঋতুকালীন ছুটি দেওয়া হয়েছিল। বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থাও ঋতুকালীন ছুটি মঞ্জুর করেছে। তাই সব রাজ্যেই যেন ঋতুকালীন ছুটির আইন কার্যকর হয়, সেই আবেদন জানিয়ে পিটিশন দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে।

Advertisement

“বেশ কয়েকটি সংস্থা স্বেচ্ছায় ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টিকে আইনের আওতায় আনলে মহিলাদের কেরিয়ারে প্রবল বাধা আসবে। নিয়োগকারীরা বলবে, কেরিয়ার গড়ে লাভ নেই, বরং মহিলারা বাড়িতে বসে থাকুন।”

কিন্তু প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন সটান খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই ছুটি দিলে মহিলাদের মনে ভয় ঢুকে যাবে। তাঁদের মনে হবে পুরুষদের তুলনায় তাঁরা পিছিয়ে। ঋতুকালীন সমস্যা নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা ঠিক আছে। কিন্তু যে মুহূর্তে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হবে, একের পর এক সংস্থা মহিলা কর্মীদের চাকরি দেওয়া বন্ধ করে দেবে। কর্তৃপক্ষের মানসিকতা আপনারা জানেন না। আইন তৈরি হলে তারা বলবে মহিলারা নিম্নমানের, ঋতুস্রাব খুব খারাপ বিষয় ইত্যাদি।”

প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, “বেশ কয়েকটি সংস্থা স্বেচ্ছায় ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টিকে আইনের আওতায় আনলে মহিলাদের কেরিয়ারে প্রবল বাধা আসবে। নিয়োগকারীরা বলবে, কেরিয়ার গড়ে লাভ নেই, বরং মহিলারা বাড়িতে বসে থাকুন।” উল্লেখ্য, মহিলা কর্মীরা মাসে এক দিন করে সবেতন ঋতুকালীন ছুটি পাবেন, গতবছর এই আইন পাশ হয়েছে কর্নাটকের বিধানসভায়। ১৯৯২ সাল থেকে বিহারে মাসে দু’দিন ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু রয়েছে। ২০২৪ সালে ওড়িশা সরকার মহিলা কর্মীদের মাসে এক দিন করে ঋতুকালীন ছুটিতে সম্মতি দিয়েছিল।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.