Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Shivraj singh Chouhan

মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে ঠান্ডা চা পরিবেশনের ‘শাস্তি’, মধ্যপ্রদেশের আধিকারিককে শোকজ

সামান্য ভুলের শাস্তি কেন? প্রশ্ন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২২, ১৫:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২২, ১৫:৫৮

options
link
মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে ঠান্ডা চা পরিবেশনের ‘শাস্তি’, মধ্যপ্রদেশের আধিকারিককে শোকজ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খোদ মুখ্যমন্ত্রীর আদর যত্নে ত্রুটি। তাঁকে ঠান্ডা চা পরিবেশন! এই ‘গর্হিত অপরাধে’র জন্য বড়সড় জবাবদিহির মুখে পড়তে হল মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) এক সরকারি আধিকারিককে। তাঁকে শোকজ নোটিস ধরালেন উচ্চতর আধিকারিকরা। যদিও পরে চাপে পড়ে শোকজ নোটিসটি প্রত্যাহার করা হয়।

আসলে এই মুহূর্তে মধ্যপ্রদেশের পুরসভা নির্বাচনের (Urban Local body polls) জন্য ভীষণ ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj singh Chouhan)। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে গিয়ে জনসভা করছেন তিনি। এমনই এক ব্যস্ত দিনে একাধিক জনসভার ফাঁকে ছাতারপুরের খাজুরাহো বিমানবন্দরে প্রাতঃরাশ করতে গিয়েছিলেন। তাঁর হাতে সময় একেবারেই কম ছিল। অভিযোগ সেখানে নাকি তাঁকে ঠান্ডা চা খেতে দেন জুনিয়র সাপ্লাই অফিসার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘জয় ভারত, জয় বাংলা’, দ্রৌপদীর মুখে মমতার স্লোগান, হতবাক রাজ্য বিজেপি নেতারা]

ব্যস্ততার জন্য মুখ্যমন্ত্রী চায়ে চুমুক দেননি। এমনকী প্রাতঃরাশও ঠিক মতো হয়নি তাঁর। তার আগেই ওই এয়ারস্ট্রিপ থেকে নিজের পরবর্তী গন্তব্যে চলে যান। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী না খেলেও তাঁর জন্য ঠান্ডা চা এবং ‘নিম্নমানে’র খাবার দেওয়াটা অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়। এই অভিযোগে জুনিয়র সাপ্লাই অফিসার রাকেশ কানহুয়াকে শোকজ করে খাজুরাহো প্রশাসন। শীর্ষ আধিকারিদের যুক্তি, মুখ্যমন্ত্রী চা খাননি ঠিকই কিন্তু তিনি যদি খেতেন, তাহলে তাঁকে ঠান্ডা চা খেতে হত। তাছাড়া ভিআইপিদের দেখাশোনা সংক্রান্ত যা বিধি সেটাও নাকি লঙ্ঘন করেছেন ওই জুনিয়র সাপ্লাই আধিকারিক।

[আরও পড়ুন: খুঁটিপুজো দিয়ে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু তৃণমূলের, হাজির পার্থ, শান্তনু, তাপস রায়রা]

খাজুরাহো প্রশাসনের এই আজব যুক্তি অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জোর আলোচনা শুরু হয়। এই নোটিসের তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, যে ভিআইপি কালচার নিয়ে এতদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এত কথা বলে এলেন, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সেই ভিআইপি পরিষেবা না পেয়ে এত ক্ষুব্ধ কেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় চাপের মুখে পড়ে ওই আধিকারিককে দেওয়া নোটিস প্রত্যাহার করেছে খাজুরাহো প্রশাসন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.