Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Gyanesh kumar

জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট: মমতার প্রস্তাবে সায় কংগ্রেস-এসপির, মন্তব্য এড়ালেন রাহুল

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট নিয়ে কংগ্রেসের হয়ে বার্তা দিয়েছেন আইসিসির সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। কমিশনকে 'পক্ষপাতদুষ্ট' বলেছেন অখিলেশ যাদবও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ২১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ২১:৫৬

options
link
জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট: মমতার প্রস্তাবে সায় কংগ্রেস-এসপির, মন্তব্য এড়ালেন রাহুল zoom
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (বাঁ দিকে), জ্ঞানেশ কুমার (মাঝে) এবং রাহুল গান্ধী। ফাইল চিত্র।

মমতা বন্দ্যোবাধ্যায়ের প্রস্তাবে সায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট (বরখাস্ত) প্রস্তাবে সমর্থন জানাল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি-সহ একাধিক বিরোধী দল। মঙ্গলবারই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে চেয়ে বার্তা দিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ‘কমন ইস্যু’তে বিরোধী দলগুলিকে একছাতার তলায় আনতে আসরে নামেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। কাজ হল তাতেই।

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট নিয়ে কংগ্রেসের হয়ে বার্তা দিয়েছেন আইসিসির সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। বুধবার তিনি বলেন, ‘‘দেশের সমস্ত বিরোধী দল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে একসঙ্গে পদক্ষেপ করবে।’’ তিনি দাবি করেন, তৃণমূল ইতিমধ্যে এই বিষয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। যোগ করেন, “আমার মনে হয় গোটা বিরোধী শিবির তৃণমূলের প্রস্তাবিত প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে।’’ পাশাপাশি মমতার প্রস্তাবকে সর্মথন জানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধন অখিলেশ যাদবও। কমিশনকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিযোগ করেন তিনি।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর বিরুদ্ধে মমতার লড়াই তথা জ্ঞানেশের বরখাস্তের প্রস্তাবে কংগ্রেস সমর্থন জানালেও রাহুল গান্ধী এই বিষয়ে মুখ খোলেননি। একটি সংবাদ সংস্থার প্রশ্নের উত্তরে লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘আমি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না।’’ প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কংগ্রেসের অবস্থান কী হবে?

এসআইআর আবহে চাপ বাড়াতে রাজধানী দিল্লিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন এসআইআর-এ ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের পরিবারের লোকজনেরা। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে নির্বাচন সদনে প্রায় সোয়া একঘণ্টা বৈঠক করেন তিনি। তবে সে বৈঠকে যে মোটেও সন্তুষ্ট নন তা সাফ জানান তৃণমূল সুপ্রিমো। বৈঠক শেষে জ্ঞানেশ কুমারকে ‘মিথ্যাবাদী’, ‘উদ্ধত’-সহ একাধিক বিশেষণে ভরিয়েছিলেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। “সিইসিকে বয়কটের ডাক”ও দেন মমতা।

তার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। এসআইআর ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের দুর্ভোগ, স্বজনহারানোর যন্ত্রণার কথা দিল্লির সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। ঠিক কীভাবে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে কমিশন কাজ করছে, আরও একবার সেসব অভিযোগে সুর চড়ান।

পরে অবশ্য সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবও দেন। এক সাংবাদিক তাঁকে রাহুল গান্ধী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার-সহ অন্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে রেট্রোস্পেকটিভ আইন আনার দাবির কথা তুলে ধরেন। মমতাকে প্রশ্ন করা হয়, এই বিষয়ে কি রাহুলকে সমর্থন করবেন? মমতার জবাব, “কোনও কিছু যদি জেনুইন, প্র্যাকটিকাল হয় এবং জনতার ভালোর জন্য হয়, আমরাও চাইব ইমপিচমেন্ট হোক। আমাদের নম্বর নেই। কিন্তু ইমপিচমেন্ট হতেই পারে। ধারা রয়েছে। রেকর্ড তো হয়ে যাবে। উনি যদি এমন করেন, তবে আমরা আমাদের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের স্বার্থে এককাট্টা হয়ে কাজ করব। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”

বলে রাখা ভালো, সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানো যায় সংসদে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পাশ করিয়ে। অর্থাৎ জ্ঞানেশ কুমারকে ইমপিচ করার জন্য সংসদের দুই কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। যদিও এই সংখ্যা বিরোধীদের কাছে নেই। সেক্ষেত্রে জল কোথায় গড়ায় সেটাই এখন দেখার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.