Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Tamil Nadu

তামিলনাড়ুতে আসনরফা চূড়ান্ত কং-ডিএমকের! জোটে ‘অতিথি শিল্পী’ কমল হাসান

দাক্ষিণাত্যের দরজা কি খুলবে বিজেপির জন্য?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৪, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৪, ১৫:০৩

options
link
তামিলনাড়ুতে আসনরফা চূড়ান্ত কং-ডিএমকের! জোটে ‘অতিথি শিল্পী’ কমল হাসান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে আগামী সপ্তাহেই। তার আগে বেশ গোছানো মনে হচ্ছে ইন্ডিয়া (INDIA) জোটকে। উত্তরপ্রদেশে আসনরফা চূড়ান্ত। আপের সঙ্গে দিল্লি, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, গুজরাট, গোয়ায় রফা হয়ে গিয়েছে কংগ্রেসের। এবার জানা যাচ্ছে, তামিলনাড়ুতেও ডিএমকে-কংগ্রেসের আসনরফা একরকম পাকা হয়ে গিয়েছে। জোটে থাকছে সিপিএমও। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ডিএমক-কংগ্রেসের সঙ্গে থাকছে কমল হাসানের এমএনএম।

বলা হচ্ছে, কংগ্রেসকে দশটি আসন দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি সিপিআই ও সিপিআইএম- দুই বাম দলকে দুটি করে আসন দেওয়া হবে। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ ও কঙ্গু দেসা মাক্কাল কাটচিকে একটি করে আসন দেওয়ার ব্যাপারে রফা হয়েছে। এদিকে ভিদুথালাই চিরুথাইগাল কাটচিকেও দেওয়া হচ্ছে দুটি আসন। এভাবেই স্থানীয় দলগুলিকেও সঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইছে কংগ্রেস (Congress) ও ডিএমকে (DMK)। তামিলনাড়ুতে ইন্ডিয়া জোটের অন্যান্য সঙ্গীদের তুলনায় বেশ শক্তিশালী স্ট্যালিনের দল। কিন্তু জোটে ছোট শরিকদের আসন ছাড়তে কার্পণ্য করছে না তারা। তবে কমল হাসানের দলকে লোকসভায় আসন ছাড়া যাচ্ছে না বলে রাজ্যসভায় একটি আসন দেওয়া হচ্ছে তাদের। এমনটাই গুঞ্জন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কমলের কেন্দ্রেই কংগ্রেসের রক্তক্ষরণ! ‘হাত’ ছেড়ে পদ্মে ৭ কাউন্সিলর]

আর এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নাকি শনিবারই হয়ে যাবে। এদিন সন্ধ্যায় ডিএমকে ও হাত শিবিরেই নাকি এই আসনরফায় সিলমোহর পড়বে। সংবাদমাধ্যমকে এক সিনিয়র কংগ্রেস নেতার দাবি, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিনই কং নেতাদের বৈঠক হবে ৬টার সময়। তার পরই এই নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা হবে। এদিকে এনডিএর সঙ্গে এআইডিএমকের জোট হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হচ্ছে। ফলে শেষপর্যন্ত দাক্ষিণাত্যে বিজেপি কতটা সুবিধা করতে পারবে তা নিয়ে ধন্দ থেকেই যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘আব কি বার ৪০০ পার’ আওয়াজ তুললেও দক্ষিণে শেষপর্যন্ত পদ্ম না ফোটাতে না পারলে যে তা সম্ভব নয়, তা পরিষ্কার।

[আরও পড়ুন: মোদির হিন্দুত্ব মোকাবিলায় জাতগণনা-কৃষক ক্ষোভ, কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় কোন ইঙ্গিত?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.