BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মধ্যপ্রদেশ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কংগ্রেস, আস্থাভোটের আগে ভোপালে ফিরলেন বিধায়করা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: March 15, 2020 7:29 pm|    Updated: March 15, 2020 7:29 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন(Lalji Tandon) সোমবার আস্থাভোটের আয়োজন করার নির্দেশ দেওয়ার পরই তৎপরতা শুরু কংগ্রেস(Congress) শিবিরে। এতদিন রাজস্থানে ‘নিরাপদ আশ্রয়ে’ থাকা বিধায়করা আস্থাভোটের একদিন আগেই ফিরে এলেন ভোপালে। যদিও, বিধায়কদের তাঁদের বাড়িতে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাঁদের ভোপালেরই একটি নামী হোটেলে এনে রেখেছে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।

রবিবার দুপুরের দিকে ভোপাল বিমানবন্দরে নামেন কংগ্রেস বিধায়করা। সূত্রের খবর, মোট ৮০ জন বিধায়ক জয়পুর থেকে ফিরেছেন। জয়পুরে অন্তত ৯০ জন কংগ্রেস বিধায়ক গিয়েছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই ফিরে এসেছেন। এদিন, বিধায়কদের আগমনের সময় যাতে বিজেপি কোনওরকম গোলযোগ বাঁধাতে না পারে তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের আশেপাশে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। কোথাও কোনও জমায়েত হতে দেয়নি পুলিশ। বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত কড়া পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা ছিল। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা গোটা রাস্তা বিধায়কদের এসকর্ট করে নিয়ে গিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: হাতিয়ার করোনা ভাইরাস! মধ্যপ্রদেশে সরকার বাঁচাতে শেষ চাল কমল নাথের]

হাতে উপযুক্ত সংখ্যা না থাকলেও সরকার বাঁচানোর ব্যাপরে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী কংগ্রেস শিবির। দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা হরিশ রাওয়াত জয়পুর থেকেই বিধায়কদের সঙ্গে ছিলেন। তিনি বলেন, “আস্থাভোটের জন্য আমরা প্রস্তুত। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ রয়েছে।” রাজ্যের মন্ত্রী কান্তিলাল ভুরিয়া আবার বলছেন, বিজেপির অন্তত ৬ জন বিধায়ক তাঁদের পক্ষে ভোট দেবেন। এদিকে, কংগ্রেস এবং বিজেপি দুই দলই সোমবার নিজেদের বিধায়কদের উদ্দেশ্যে হুইপ জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, সোমবার সকলকে বিধানসভায় উপস্থিত থাকতে হবে এবং দলের লাইনের পক্ষে ভোট দিতে হবে। এদিকে, প্রকাশ্যে আত্মবিশ্বাস দেখালেও আস্থাভোট নিয়ে বেশ চিন্তিত কংগ্রেস শিবির। সোমবার কোনওভাবে আস্থাভোট এড়ানো যায় কিনা তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। প্রয়োজনে রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ মাঝরাতে সুপ্রিম কোর্টেও যেতে পারে কংগ্রেস। এদিকে, আগামিকাল আস্থা ভোট হবে কিনা, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামিকালই জানাবেন স্পিকার।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement