Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Women's Reservation Bill

২০২৯ ভোটেই মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করতে হবে! চাপ বাড়াতে সর্বদল দাবি কংগ্রেসের

মহিলা সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন নিয়ে কেন্দ্রের উপর আক্রমণ আরও তীব্র করেছে কংগ্রেস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৬:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৬:৪০

options
link
২০২৯ ভোটেই মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করতে হবে! চাপ বাড়াতে সর্বদল দাবি কংগ্রেসের zoom
মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার দাবি কংগ্রেসের। ফাইল ছবি।

মহিলা সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন নিয়ে কেন্দ্রের উপর আক্রমণ আরও তীব্র করেছে কংগ্রেস। মঙ্গলবার দলের সাধারণ সম্পাদক (যোগাযোগ) জয়রাম রমেশ একটি ঐকমত্যের ভিত্তিতে বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ফের সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে রমেশ বলেছেন যে, নির্বাচনী প্রচার এখন শেষ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উচিত মধ্য-মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে উত্থাপিত বিরোধী দলের দাবি-অর্থাৎ ‘নারীশক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩’ (Women’s Reservation Bill) কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনার জন্য পদক্ষেপ করা। তিনি অভিযোগ করেন যে, ‘বিরোধী দলের ঐক্য ও সংহতি’র কারণে সরকারের ‘ভয়ংকর ডিলিমিটেশন’ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা ‘মারাত্মকভাবে ব্যর্থ’ হয়েছে। তিনি বলেন, এখন মহিলা সংরক্ষণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জয়রামের দাবি, ‘২০২৯ সাল থেকে লোকসভার বর্তমান সদস্য সংখ্যা দিয়েই কীভাবে নারীশক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ (যা ২০২৬ সালের ১৬ এপ্রিল গভীর রাতে বিজ্ঞাপিত হয়েছিল) কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি সর্বদলীয় বৈঠক আহ্বান করা উচিত। এটা সম্ভব। এটা বাঞ্ছনীয়। এটা অপরিহার্য।’ কংগ্রেস নেতা আরও দাবি করেন যে, সংসদের বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ ‘কখনওই আলোচ্য বিষয় ছিল না।’ সরকারের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ। রমেশের মত, ‘নিজের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ভারতের নারীদের ব্যবহার করার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার এবং পরিবর্তে তাঁদের ন্যায়বিচার দেওয়ার সময় এখন প্রধানমন্ত্রীর।’

প্রসঙ্গত, কেন্দ্র দাবি করে আসছে যে, আইনটির বাস্তবায়ন পরবর্তী সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়া এবং জনগণনার সঙ্গে যুক্ত, যে অবস্থানের ক্রমাগত বিরোধিতা করে আসছে বিরোধী দলগুলি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.