BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনের পর ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ খুলছে কলকারখানা! একাধিক নির্দেশিকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 10, 2020 10:56 am|    Updated: May 10, 2020 11:42 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৃতীয় দফার লকডাউনের পরই অর্থনীতিকে ছন্দে ফেরাতে মরিয়া কেন্দ্র। আর সেই উদ্দেশ্যে তৃতীয় দফার লকডাউন শেষ হলেই দেশের সব কলকারখানা খুলে দেওয়ার অনুমতি দিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রবিবার মন্ত্রকের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃতীয় দফার লকডাউন শেষ হলে অর্থাৎ আগামী ১৭ মে’র পর খুলতে পারে কলকারখানা। তবে সেটা শর্তসাপেক্ষে এবং পরীক্ষামূলকভাবে।

[আরও পড়ুন: হিসেব-নিকেশ সারা, আগামী সপ্তাহেই দ্বিতীয় আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্র]

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Ministry of Home Affairs) চাইছে, প্রথম সপ্তাহে কারখানাগুলি চলুক পরীক্ষামূলকভাবে। যাকে বলা হচ্ছে ‘ট্রায়াল রান’। এই এক সপ্তাহ বেশি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা না নিয়ে ধীরে ধীরে কাজে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংস্থাগুলিকে। শুরু থেকেই উৎপাদনে জোর দেওয়ার দরকার নেই বলে মত কেন্দ্রের। আসলে, লকডাউনের ফলে অনেক কারখানাতেই ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। যার ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা। বিশাখাপত্তনমের গ্যাস দুর্ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। একইরকম দুর্ঘটনা ঘটেছে ছত্তিশগড় এবং তামিলনাড়ুর কারখানাতে। তাই কেন্দ্র চাইছে শুরুতেই পুরোদমে কাজ শুরু করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি না বাড়িয়ে, ধীরে ধীরে কাজে ফিরতে।

[আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে হদিশ নেই ৯ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষার রিপোর্টের]

তাছাড়া, কারখানা খোলার ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টিও সর্বোপরি মাথায় রাখতে হবে। কেন্দ্র নির্দেশিকায় জানিয়েছে, শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে কারখানার মালিকদের। সামাজিক দূরত্ব বজায়, বারবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে যাবতীয় সচেতনতায় খেয়াল রাখতে হবে। কাজ শুরুর আগের ২৪ ঘণ্টায় বারবার কারখানা স্যানিটাইজ করতে হবে। প্রতি ২-৩ ঘণ্টা অন্তর অন্তর পুরো কারখানা স্যানিটাইজ করতে হবে। ক্যান্টিন, বা অন্য কোনও কমন রুম থাকলে সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। এক শ্রমিকের ব্যবহার করা জিনিস স্যানিটাইজ না করে অন্য শ্রমিককে দেওয়া যাবে না। যেসব কারখানা সবসময় চালু থাকে তাঁদের দুই শিফটের মাঝে ১ ঘণ্টার বিরতি দিতে হবে। এবং ওই সময় কারখানা স্যানিটাইজ করতে হবে। আর বাইরে থেকে আসা শ্রমিকদের বাইরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement