Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
BMW

পুলিশ ও সরকারই লুকিয়ে রেখেছিল শিব সেনা নেতার ছেলেকে! BMW কাণ্ডে দাবি কংগ্রেসের

দুর্ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত মিহিরকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৪, ১৩:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৪, ১৩:৩৬

options
link
পুলিশ ও সরকারই লুকিয়ে রেখেছিল শিব সেনা নেতার ছেলেকে! BMW কাণ্ডে দাবি কংগ্রেসের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিব সেনা নেতার মদ্যপ ছেলের বিলাসবহুল BMW পিষে দিয়েছিল এক মহিলাকে। এই অভিযোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিযুক্ত মিহির শাহ। কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ, এই দাবি তুলছিল বিরোধীরা। অবশেষে মিহির গ্রেপ্তার হতেই কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হল, ইচ্ছে করেই দেরিতে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। কেননা, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। আগে পরীক্ষা করলে রক্তে অ্যালকোহল পাওয়া যেত।

মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) কংগ্রেস নেতা বিজয় ওয়াদেত্তিওয়ার বলছেন, ”সরকার ও পুলিশ ইস্যুটাকে চেপে দিতে চাইছে। মিহিরকে ইচ্ছা করেই আগে গ্রেপ্তার করা হয়নি, কারণ উনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তখন পরীক্ষা করলে রক্তে অ্যালকোহল পাওয়া যেত। আমি বলছি, পুলিশই ওঁকে লুকিয়ে রেখেছিল। যখন দুবার পরীক্ষা করেও রক্তের নমুনায় কিছু পাওয়া গেল না, তখনই ওঁকে ধরা হল। এই মামলায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।” এদিকে জানা গিয়েছে, তদন্তকারীদের চোখে ধুলো দিতে অভিযুক্ত মিহির নাকি গোঁফদাড়ি কামিয়ে ফেলেছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ত্রিশঙ্কু ভোটের ফল, ফ্রান্সে মুখ পুড়ল প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর]

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডের দলের নেতা রাজেশ শাহর ছেলে মিহির। বয়স ২৪ বছর। অভিযোগ, গত শনিবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে জুহুর একটি বারে মদ্যপান করেন মিহির। এর পর তিনি ‘লং ড্রাইভে’ নিয়ে যেতে বলেন ড্রাইভারকে। ওরলিতে পৌঁছনোর পর নিজেই গাড়ি চালাবেন বলে জেদ ধরেন। মিহির স্টিয়ারিংয়ে বসার কিছুক্ষণ পরেই একটি স্কুটারে ধাক্কা মারেন। স্কুটারে ছিলেন মাছ বিক্রেতা প্রদিক নাকভা এবং তাঁর স্ত্রী কাবেরী নাকভা। অন্য দিনের মতোই রাতে মুম্বই বন্দরে পাইকারি বাজারে মাছ কিনতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। মিহিরের গাড়ি পিষে দেয় কাবেরীকে। প্রদিক অল্প আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু অধরা ছিলেন মিহির। অবশেষে তাঁকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

[আরও পড়ুন: ‘রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব কখনও মাইনাসে নামবে না’, মস্কোয় মন্তব্য মোদির]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.