BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা ঠেকাতে প্রয়োজন র‍্যাপিড টেস্টের, গোষ্ঠী সংক্রমণ রোধে পরামর্শ আইসিএমআরের

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: April 10, 2020 1:29 pm|    Updated: April 10, 2020 1:36 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের মধ্যেও দেশে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মাঝে দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা প্রকাশ করছে আইসিএমআর (Indian Council for Medical Research)। নিজেদের একটি সমীক্ষায় সেই তথ্যই তুলে ধরেছেন তারা। তাই বিভিন্ন রাজ্যে লোক পাঠিয়ে র‍্যাপিড টেস্ট করতেও শুরু করে। এই সমীক্ষা চালানোর সময় আইসিএমআরের সঙ্গে রয়েছে স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা।

লকডাউন পর্যাপ্ত নয়, প্রয়োজন র‍্যাপিড টেস্টের। যত বেশি চিহ্নিত করা যাবে তত তাদের আইসোলেট করে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হবে। ৫ সপ্তাহ ধরে ভারতে নমুনা সংগ্রহ করে করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা চালাচ্ছে আইসিএমআর। ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ থেকে শুরু করে ২ এপ্রিল পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালিয়ে তারা সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষের নমুনা সংগ্রহ করে। তাদের প্রত্যেকেই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় (Severe Acute Respiratory Illnesses) আক্রান্ত ছিলেন। যার মধ্যে পরে ১০৪ জনের শরীরেই করোনার নমুনা মেলে। দেশের ২০টি রাজ্য-সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ৫২টি জেলায় এই সমীক্ষা চালানো হয়। তবে আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ জনের কোনও সংক্রমিতের কোনও বিদেশ ভ্রমণের তথ্য না থাকায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আইসিএমআর বিশেষজ্ঞদের কপালে। কারণ, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে বারংবার বলা হয় ভারত স্টেজ-২ তে আটকে থাকায় আক্রান্তদের সংক্রমণের সূত্রকে চিহ্নিত করতে পারা সম্ভব। কিন্তু, আইসিএমআরের সমীক্ষা অনুযায়ী ৪০ জন আক্রান্তের বিদেশ ভ্রমণের কোনও সূত্র খুঁজে না পাওয়ায় এই ৪০ জনের ক্ষেত্রে গোষ্ঠী সংক্রমণেরই আশঙ্কা প্রকাশ করছে আইসিএমআর। ১৫টি রাজ্যের ৩৬টি জেলা থেকে (SARI) আক্রান্তদের খুঁজে পাওয়া গেছে।

[আরও পড়ুন: লকডাউন কি বাড়বে? জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জানাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী]

অথচ কয়েক দিন আগেও, দেশে করোনা ভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ নিয়ে তেমন আশঙ্কার কারণ নেই বলেই জানিয়েছে আইসিএমআর। গতকালও আইসিএমআর-এর এক কর্তা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, দেশে সংক্রমণের হার আশঙ্কাজনক নয়। তারা একথাও বলেছে আগে, যে এসএআরআই (SARI) বা গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যাযুক্ত রোগীদের উপরে এই পরীক্ষা চালিয়েও গোষ্ঠী সংক্রমণের লক্ষণ দেখা যায়নি। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা। যদিও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যে পরিসংখ্যান এখনও পর্যন্ত, তাতে দেখা গেছে এ দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীই হয় নিজেরা বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছিলেন নয়তো বিদেশ থেকে ফেরা কোনও করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তাই দ্রুত এসএআরআই বা গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যাযুক্ত রোগীদের চিহ্নিত করে তাদের চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন।

[আরও পড়ুন: করোনার জেরে বিশ্বে বাড়তে পারে সন্ত্রাসী হামলা, আশঙ্কা প্রকাশ রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement